প্রকাশিত: ৩০/১২/২০১৬ ৮:২৮ এএম

কক্সবাজার প্রতিনিধি : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দেশের বেকারত্ব মুছে ফেলা সম্ভব। তিনি বলেন, একটু মেধা খাটালেই ঘরে বসে আয়-রোজগার করা সম্ভব। ই-কমার্স, ই-শপসহ নানা প্রযুক্তি দিয়ে বেকার যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করার প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজার বিয়াম অডিটোরিয়াম সংলগ্ন মাঠে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

‘আমরা হবো জয়ী-আমরা দুর্বার, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি হবে হাতিয়ার’ স্লোগান নিয়ে আইসিটি ডিভিশনের ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’র আওতায় কক্সবাজারে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার আয়োজন করা হয়।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের অর্থনৈতিক চাকা শক্তিশালী করার পথেই হাঁটছে সরকার। ইতোমধ্যে আমরা সফলতাও পাচ্ছি। আগামী দুই মাসের মধ্যে কক্সবাজার থেকে ২০০ ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়ে তা পর্যায়ক্রমে অন্তত ২ হাজারে পৌঁছাবে। সবাইকে সঙ্গে করেই আমরা পরিপূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে চাই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়। অনেকে বিদেশে কায়িক শ্রম দিয়ে দেশে টাকা পাঠায়। অতিরিক্ত শারীরিক শ্রম বিসর্জন দিয়ে এখন আর আয় করতে হবে না। মেধা দিয়ে আয়ের পথ সুগম করতেই লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে সরকার।

জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সদর আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতরের মহাপরিচালক বনমালী ভৌমিক, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্প পরিচালক তপন কুমার নাথ।

সভায় কক্সবাজারের সেরা তিন ফ্রি-ল্যান্সারকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রত্যেকের হাতে একটি করে ল্যাপটপ তুলে দেন। সভা শেষে ফিতা কেটে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।

মেলায় আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত ৪০টিরও বেশি স্থানীয় আইটি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

পাঠকের মতামত

পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ

‘ঈদ এসেছে দুনিয়াতে শিরনি বেহেশতী/দুষমনে আজ গলায় গলায় পাতালো ভাই দোস্তি’- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ...