

কক্সবাজারের টেকনাফে এইচ,এস,সি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের দিক দিয়ে মাদরাসা এগিয়ে রয়েছেন। মাদরাসায় পাশের হার ৩৭.০৩%। অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে পাশের হার ২৮.৫৯% বলে জানাগেছে। উপজেলা সুত্র জানায়, ৩টি কলেজ ও ৩টি মাদরাসা থেকে সর্বমোট ১২২৪জন ছাত্র/ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। এতে কৃতকার্য হয়েছেন ৩৬৬জন পরীক্ষার্থী। আর ৮৫৮জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন বলে জানাগেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হ্নীলা মৌলভীবাজার জমিরিয়া আলিম মাদরাসা সবচেয়ে ভাল রেজাল্ট করেছেন। সবচেয়ে খারাপ রেজাল্ট করেছেন সেন্ট মার্টিন বিএন স্কুল এন্ড কলেজ। দেখা গেছে, হ্নীলা মৌলভীবাজার জমিরিয়া আলিম মাদরাসার পাশের হার ৫২.৪৬%। ওই মাদরাসা থেকে ৬১জন ছাত্র/ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩২জন ছাত্র/ছাত্রী কৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে সেন্ট মার্টিন বিএন স্কুল এন্ড কলেজের পাশের হার ১৪.২৯%। সেন্ট মার্টিন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৭জন ছাত্র/ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেবলমাত্র ১জন পরিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।
সুত্রে জানাগেছে, কলেজ পর্যায়ে টেকনাফ সরকারি ডিগ্রী কলেজ থেকে ৭৪১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯২জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাশের হার ২৫.৯১%। মাঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ থেকে ২৮৭জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৩জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাশের হার ৩৫.৮৯%। সেন্ট মার্টিন বিএন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৭জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবলমাত্র ১জন কৃতকার্য হয়েছে। পাশের হার ১৪.২৯%।
মাদরাসা পর্যায়ে, রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা থেকে ৮৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাশের হার ৩০.১২%। হ্নীলা মৌলভীবাজার জমিরিয়া আলিম মাদরাসা থেকে ৬১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাশের হার ৫২.৪৬%। হ্নীলা শাহ মজিদিয়া আলিম মাদরাসা থেকে ৪৫জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩জন কৃতকার্য হয়েছেন। পাশের হার ২৮.৫৯%।
টেকনাফ উপজেলায় মাত্র একজন পরীক্ষার্থী এ+ পেয়েছেন। ইশরাত সুমাইয়া রিফা নামের এই পরীক্ষার্থী রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রী মাদরাসা থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, কলেজ এবং মাদরাসা পর্যায়ের এবারকার পাশের হার তেমন সন্তোষজনক নয়। আগামীতে উপজেলার প্রতিটি কলেজ-মাদরাসায় আরো ভাল এবং সুন্দর ফলাফল অর্জনে শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের প্রতি বিশেষ যত্ম নেওয়া হবে।##

পাঠকের মতামত