প্রকাশিত: ০২/১০/২০১৬ ৯:২৬ এএম

img_20161002_092003বিশেষ প্রতিবেদক::
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সর্বত্র বনবিভাগের জায়গা দখল করে দালান বাড়ীঘর ও মার্কেট নির্মানের প্রতিযোগিতা চলছে।স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রকাশ্যে বনভুমির জায়গায় দালান সহ মার্কেট নির্মান করে গেলেও বন বিভাগের রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন সদর বনবিটের অধীনে সংরক্ষিত বিশাল বনাঞ্চল সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু জবরদখল করে নিয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্লট আকারে বিভিন্ন জনকে উক্ত বনভূমি বিক্রি করে যাচ্ছে প্রভাবশালী চত্রু।বন বিভাগের সরকারি জায়গায় শত শত অবৈধ স্থাপনা তৈরি যেন সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুললেও সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের মনোভাব দেখে মনে হয় যেন কিছুই হচ্ছেনা।
গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে সদর বিটের মাছকারিয়া সংলগ্ন মোঃ আলীর ভিটা নামক স্থানে এলাকার জাফর আলমের ছেলে নজির আহামদ সরকারী বনবিভাগের জায়গায় বিশাল পাকা বাউন্ডারী নির্মান করছে।ভেতরে নির্মান করা হচ্ছে বহুতল বাড়ী।এক সময়ের মাছ ব্যবসায়ী নজির আহামদ হঠাৎ অবৈধ বানিজ্যের মাধ্যমে অঢেল টাকার মালিক বনে যাওয়া স্থানীয়দের হতবাক করেছে।সে স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে বনবিভাগের জায়গা জবরদখল করে বহুতল দালান নির্মাণ করে গেলেও কেউ প্রতিবাদ করছেনা। স্থানীয় সচেতন জনগণ জানান, বন বিভাগকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে প্রকাশ্যে সরকারি জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা বা বহুতল দালান নির্মাণ করেছেন তিনি। শুধু নজির আহামদ নয়,উখিয়া সদর বিটের প্রায় সর্বত্র বনবিভাগের জায়গা দখল করে নির্মান করা হচ্ছে স্থায়ী স্থাপনা।বিশেষ করে পাতাবাড়ি বড়–য়াপাড়া,উখিয়া কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ প্রবনতা একটু বেশী। মোঃ আলী ভিটায় বনবিভাগের জায়গায় দালান নির্মানের ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া সদর বিটের অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান,তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন,নজির আহামদকে দালান নির্মান বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে,কিন্ত রাতের আধারে সে দালান নির্মান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।তার বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা সহ দালানটি উচ্ছেদের প্রত্রিুয়া চলছে।কিন্তু জনবল সহ স্থানীয় প্রশাসনের কোন সহযোগিতা না পাওয়ায় তা করা যাচ্ছেনা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন,সরকারি বনভূমি জবর দখল ও অবৈধ স্থাপনা তৈরি যত বড় ক্ষমতা ধর ব্যক্তি হোক না কেন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে তা গুটিয়ে দেওয়া হবে।সরকারি বনভূমি জবর দখল করে এসব স্থাপনা বা বসতবাড়ি তৈরি করেছে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বনভূমি বেদখলমুক্ত করার জন্য বিভাগীয় বনকর্মকর্তার নিকট দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদী সংগঠন।

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারে সংঘাত / এপারে থামানো যাচ্ছে না নিত্যপণ্য, জ্বালানি ও ভোজ্যতেল পাচার

সমুদ্রপথে মিয়ানমারে প্রতিনিয়ত পাচার হচ্ছে জ্বালানি ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী। গ্রেফতার ও আইন শৃঙ্খলা ...