প্রকাশিত: ১৩/০৫/২০১৭ ৭:৫৭ এএম , আপডেট: ১৩/০৫/২০১৭ ৮:৩৮ এএম
Single Page Top

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::

সংগঠন চালানোর অর্থ জোগাড় করতে ইয়াবা ও মানব পাচারে জড়িয়ে পড়েছে জঙ্গিরা। সংগঠনের অর্থ জোগাড় করতে টেকনাফ ও কক্সবাজার অঞ্চলে মিয়ানমারভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) একাধিক গ্রুপ ইয়াবা ও মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের একটি গ্রুপের সন্ধান মিলেছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে। এ গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন আরএসও নেতা ও রোহিঙ্গা নাগরিক মুহিবুল্লাহ মাঝি। র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মানব ও ইয়াবা পাচারের বিভিন্ন অভিযানে রোহিঙ্গা নাগরিক গ্রেফতার করা হলেও কখনো আরএসও নেতা-কর্মী গ্রেফতার করা হয়নি। যদিও তাদের মানব ও ইয়াবা পাচারে সংশ্লিষ্ট হওয়ার বিষয়টা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিষয়টি এখন নজরে এলো। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ’

টেকনাফ থানার ওসি মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘টেকনাফে ইয়াবা ও মানব পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে মুহিবুল্লাহ নামে একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন। তাদের প্রায় প্রত্যেকের মা-বাবার নাম একই হওয়ায় শনাক্তকরণ কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে কোন মুহিবুল্লাহর সঙ্গে আরএসওর যোগাযোগ রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করতে এরই মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ’ জঙ্গিবাদ গবেষক ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাসান রফিক বলেন, ‘আগে যেভাবে জঙ্গিবাদ বিস্তারের জন্য বিদেশ থেকে অর্থ আসত, এখন সরকারের কড়াকড়ির কারণে সেভাবে আসছে না। তাই জঙ্গিরা স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করার বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহ করার প্রচেষ্টা হিসেবে জঙ্গিরা ইয়াবা ও মানব পাচার করছে। ’ অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ইয়াবা পাচার এবং মালয়েশিয়ায় মানব পাচারে জড়িয়ে পড়েছে মিয়ানমারভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আরএসওর একাধিক গ্রুপ। এ গ্রুপগুলোর মধ্যে ইয়াবা ও মানব পাচারে একটির নেতৃত্বে রয়েছেন জঙ্গি সংগঠন আরএসও নেতা টেকনাফ সদরের মুহিবুল্লাহ মাঝি। গ্রুপ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তার দুই সন্তান, শ্যালকসহ কয়েকজন নিকটাত্মীয়। গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে রয়েছেন তার শ্যালক হাবুল্লাহ মাঝি। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে টেকনাফ পর্যন্ত নিয়ে আসার দায়িত্বে রয়েছেন আরএসও নেতা ও রোহিঙ্গা নাগরিক করিম উল্লাহ। পাচারের দায়িত্বে রয়েছেন সানা উল্লাহ ড্রাইভার। রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশিদের অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর দায়িত্বে রয়েছেন মুহিবুল্লাহ মাঝির দুই সন্তান ফয়সাল ও সাদেক।

পাঠকের মতামত

Single Page Bottom

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন ...

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করতে হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer