প্রকাশিত: ৩০/০৫/২০১৭ ২:৫২ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৫:২৩ পিএম

নিউজ ডেস্ক::
গাছের পাতা নড়ছে না। তবে পরিবেশ শীতল। মাঝে মাঝে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এর মধ্যেও নেই তেমন কোন তীব্রতা। আবহাওয়া বলতে এমনই গুমোট পরিস্থিতি।

কক্সবাজার শহরে যানবাহন চলাচল একেবারে নেই বললেই চলে। গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের আনাগোনায় মুখর থাকে যে শহর, সেখানে এখন প্রায় সুনসান পরিস্থিতি। হোটেলের সামনে মাঝে মাঝে কয়েকটা দোকানে মৃদু আলো জ্বলছে।

গুমোট আবহাওয়া কক্সবাজারববাসীর শংকা বাড়াচ্ছে। মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াল সেই রাতের কথা। সেদিন কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়। কক্সবাজার পৌরসভার বাদসা ঘোনা এলাকার বাস টার্মিনাল থেকে কলাতলি সমুদ্র সৈকতে যাবার পথে কথা হয় অটোরিকশা চালক শুক্কুরের সঙ্গে। তিনি বলেন শংকার কথা। ‘গাছের পাতার নড়াচড়া নেই। সাগরে পানি নাকি ফুলছে। অবস্থা একেবারে সুবিধার মনে হচ্ছে না।’ বলেন শুক্কুর।

চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় একটি ভাতের হোটেলের সামনে জটলা পাকিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন কয়েকজন। পঞ্চাশোর্ধ একজন বললেন, ’৯১ সালেও আঘাত হানার আগে পরিস্থিতি এরকম ছিল। সেইবারও ১০ নম্বর সিগন্যাল ছিল। এবার কি হয় আল্লাহ জানেন। শংকা নিয়ে কক্সবাজার জেলার ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। আরও এক লাখ মানুষ বিভিন্ন নিরাপদ এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের বাসায় অবস্থান নিয়েছে, এমনটাই জানালেন কক্সবাজারেরর জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন।

নগরীর কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া, ফদনার ডেইল, উত্তর নুনিয়াছড়া এবং পেসকারপাড়া ও টেকপাড়ার নিম্নাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারির পর থেকেই অধিকাংশ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে গেছেন। এর মধ্যেও বেশ কয়েকটি পরিবার থেকে গেছে। রাতে বাড়িতে লুটপাটের আশংকায় তারা ঘর ছাড়তে রাজি নন বলে জানান অনেকেই। সুত্র:বাংলানিউজ

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর বিদ্রোহীদের দখলে

মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা দেশটির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের দখল নিয়েছে। মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তা’আং ...

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতির দাবি

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতিসহ বিভিন্ন দাবিতে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমকে স্মারকলিপি দিয়েছেন ...