ad

পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ২০ হাজার সাইট বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট::
পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এরইমধ্যে প্রায় ২০ হাজার পর্নো ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এই তথ্য জানান। খবর আল-জাজিরার

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে হাইকোর্ট সরকারকে পর্নো সাইট ও অশ্লীল কন্টেন্ট প্রকাশ করা সাইটগুলোকে বন্ধের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতেই পর্নো ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে সরকার।

এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপিকে মন্ত্রী বলেন, আমি শিশুসহ সকল বাংলাদেশির জন্য একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে চাই। আর এটিই পর্নোগ্রাফির বিরুদ্ধে আমার যুদ্ধ। বন্ধ হয়ে যাওয়া সাইটগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই বিদেশি। তবে অল্প কিছু বাংলাদেশি সাইটও রয়েছে এরমধ্যে।

তিনি বলেন, আমরা ফেসবুক প্রফাইল, ইউটিউব চ্যানেল ও ওয়েবসাইটগুলোকে পর্যবেক্ষণ করছি। ইতিমধ্যে এর মধ্যে কয়েকটিকে অশ্লীল কন্টেন্ট প্রকাশ করায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আমরা আরো কয়েকজনকে এ ধরনের পোস্ট না করতে আহ্বান জানিয়েছি।

বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারীদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক জানান, তারা নির্দেশমতো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অনেকেই ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন দিয়ে এখনো পর্নো সাইটে প্রবেশ করতে পারছেন। এছাড়া মিরর ওয়েবসাইটের কথাও বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং নিয়মিত এর পর্যবেক্ষণ জরুরি। এই ওয়েবসাইটগুলো ভালোভাবেই এই কড়াকড়ি সম্পর্কে অবগত। তাই তারা প্রতি সপ্তাহেই হাজার হাজার মিরর সাইট তৈরি করছে।

তিনি জানান, স্থানীয় বিভিন্ন ফেসবুক পাতা, প্রোফাইল, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল সরকারের নজরদারিতে আছে। এদের কোনো কোনোটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া যা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে যায় না, এমন কিছু ভবিষ্যতে পোস্ট না করার জন্য সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

এদিকে, পর্নোগ্রাফি ছাড়াও বিভিন্ন জনপ্রিয় অ্যাপ, যেমন- টিকটক এবং বিগো, সেগুলোও বন্ধ করে দেয়ার কার্যক্রম চলছে। সুস্থ সামাজিক পরিবেশ তৈরিতে মোটকথা এদেশে এখন থেকে অশ্লীল কনটেন্ট কিংবা ভিডিও কোনটাই থাকবে না। এই সাইটগুলোর বেশিরভাগই বিদেশি। তবে, কয়েকটি স্থানীয় সাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপরেও এই নতুন নির্দেশিকা রয়েছে।

ad