ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৭/০৯/২০২৬ ৬:৩৯ এএম

লেখাপড়া শেখার সুযোগ হয়নি, এমনকি পড়তে বা লিখতে জানেন না। তবে ছোটবেলা থেকেই রেডিওতে কোরআন তেলাওয়াত শুনতে শুনতে পবিত্র কোরআনের প্রতি গভীর ভালোবাসা তৈরি হয় মিসরের সানা আবদেল সাত্তারের। সেই ভালোবাসা থেকেই একসময় কোরআনে কারিম মুখস্থ করার উদ্যোগ নেন তিনি।

জীবনের নানা দায়িত্ব ও প্রতিকূলতার কারণে কোরআন হেফজের সেই চেষ্টা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবুও নিজের সংকল্প থেকে সরে যাননি সানা। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায় ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির পর অবশেষে ৭১ বছর বয়সে এসে সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন তিনি।

সানার এই অনুপ্রেরণাদায়ী কোরআন হেফজের গল্প তুলে ধরেছে ভারতীয় উর্দু সংবাদমাধ্যম ইউএনএ নিউজের একটি প্রতিবেদন।

সানা আবদেল সাত্তার মিসরের মনুফিয়া প্রদেশের শোহাদা এলাকার মিত শাহালা গ্রামের বাসিন্দা। ৭১ বছর বয়সে তিনি কোরআন হেফজ সম্পন্ন করার পর বর্তমানে নিয়মিত তা পুনরাবৃত্তি করছেন।

মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়ির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় পাঁচ পারা কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন।

অন্ধ কিশোরী ১২ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হলেন
অন্ধ কিশোরী ১২ বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হলেন
সানা পড়তে বা লিখতে জানেন না। তাই অন্যদের মতো সরাসরি কোরআন পড়ে তিনি হাফেজ হননি। বরং শুনে শুনে, মনে রেখে এবং বারবার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে তিনি পুরো কোরআন নিজের বুকে ধারণ করেছেন।

জীবনের শুরুর দিক থেকেই কোরআনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। রেডিওতে কোরআন তেলাওয়াত শোনা ছিল তার কোরআনের সঙ্গে পরিচয়ের অন্যতম মাধ্যম।

জীবনের বিশের কোঠার শুরুতে তিনি কোরআন হেফজ শুরু করেন। তবে পথটি সহজ ছিল না। বিয়ের পর সংসারের দায়িত্ব বেড়ে যায়। তিন সন্তানের লালন-পালনের পাশাপাশি পরিবারের নানা দায়িত্ব সামলাতে হয়েছে তাকে।

পাঠকের মতামত

ইসলাম মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষার নির্দেশ দিয়েছে: শায়খ সুদাইস

মক্কার পবিত্র স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ধর্মীয়বিষয়ক প্রেসিডেন্ট ...

এবার বাংলাদেশি হাফেজের আমেরিকা জয়!

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারের বোল্টনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ শেখ ...