প্রকাশিত: ০২/০২/২০২০ ৭:১৪ পিএম

দীর্ঘ দিন ‘সেফহোমে’ থাকার পর ২৫ ইয়াবা কারবারি সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আত্মসমর্পণ করবে। ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায় আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে তারা।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান ঘিরে মঞ্চসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন শেষ করেছে জেলা পুলিশ। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে টেকনাফ উপজেলায় মাইকিংও হয়েছে। জেলা পুলিশ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। সভায় সভাপতিত্ব করবেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেছেন, ‘সোমবার দুপুরে ২৫ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ১০২ জন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল।

যারা আত্মসমর্পণ করছে

দ্বিতীয় দফায় ২০-২৫ ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সেখান থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হবে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। তারা হলো—টেকনাফের নাজিরপাড়ার কালা সওদাগর, মৌলভীপাড়ার ফজল আহমদের ছেলে রিদোয়ান ও আবদুর রাজ্জাক, মৃত আমির হোসেনের ছেলে আবদুল আমিন আবুল প্রমুখ। কক্সবাজার জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি তোফায়েল আহমদ বলেন, ২৩ জন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করার জন্য সেফহোমে অবস্থান করছে বলে শুনেছি। তবে আসলে কতজন আত্মসমর্পণ করবে তা জানতে ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটি একটি ভালো দিক, কিছু মাদক কারবারি বুঝতে শুরু করেছে এসব অপকর্ম করে আর রক্ষা হবে না। এতে করে মাদক পাচার কমে আসতে শুরু করেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান থাকায় ইয়াবা ব্যবসা কমে এসেছে। কোনও মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনভাবে এই অঞ্চল থেকে মাদক বন্ধ করা হবে।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান ঘিরে মঞ্চসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন শেষ করেছে জেলা পুলিশ

জানুয়ারি মাসে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯: জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৯ মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন রোহিঙ্গা। এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বিশেষ অভিযানে ৫৬ রোহিঙ্গাসহ ২০৯ জন ইয়াবা কারবারি ও ডাকাত-সন্ত্রাসী নিহত হয়।

পাঠকের মতামত

১৫ আগস্ট ঘিরে খিচুড়ি রান্নার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সহ-সভাপতি সোহেল রানা পবন ...

দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যাওয়া শিহাব পেলো গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিহাব নামে ...

কক্সবাজারে ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বেপরোয়া গতির ডাম্পট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মিজানুর রহমান (২৫) নামের এক ছাত্রদল ...
Single Page Footer