ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৩/০৬/২০২৩ ৭:২৮ এএম

চরম ড্রাফট সংকটের কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে কাঠ ও সুপারিসহ বিভিন্ন ধরনের মালের স্তূপ পড়ে আছে। ফলে ডেলিভারির অপেক্ষায় স্থলবন্দরের ওয়্যারহাউজে পড়ে আছে শতকোটি টাকার মালপত্র। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকা রাজস্ব।

এ সংকট নিরসনে গতকাল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নাফ গেস্ট হাউজে টেকনাফ স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনা ও আমদানি সহযোগিতাকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি আবদুর রহমান ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম।

সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘গত মে মাসের শেষদিকে সোনালী ব্যাংক ও এবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সরকারের কোনো নির্দেশনা ছাড়া ডলার সংকট দেখিয়ে আদা-রসুন ব্যতীত কোনো মালপত্র ডেলিভারি করতে ড্রাফট পাচ্ছেন না স্থলবন্দর ব্যবসায়ীরা। যার ফলে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা কাঠ, সুপারি, আচার, নারিকেল, শুঁটকিসহ বিভিন্ন ধরনের মাল পড়ে আছে। এর মধ্যে অনেক মালপত্র পচন ধরেছে। ফলে ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।’ এছাড়া টেকনাফ স্থলবন্দরে রোহিঙ্গা শ্রমিক ব্যবহার বন্ধ বাস্তবায়নে জোর দাবি তোলা হয় বৈঠকে।

জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান। এ সময় ডিসি বলেন, ‘ড্রাফট সংকটে স্থলবন্দরে মালপত্র জটসহ সব ধরনের সমস্যা নিরসনে আলোচনা করা হয়েছে। দ্রুত এটি সমাধানের পথ বের হবে।

পাঠকের মতামত

প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হোটেল পরিচয়ে প্রতারণা ও পর্যটককে হুমকি দেয়ার ঘটনায় কক্সবাজারের তারকামানের হোটেল সীগালের ...

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে’ ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে থাকা ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই ...
Single Page Footer