প্রকাশিত: ১৫/০৩/২০২১ ৫:৪৪ পিএম , আপডেট: ১৫/০৩/২০২১ ৫:৪৫ পিএম

শাহেদ মিজান :
কক্সবাজার শহরের জইল্যার দোকান এলাকায় মৃত প্রেমিকার লাশ রেখে পালালো প্রেমিক। খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে লাশটি উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

নিহত তরুণীর নাম ফরিদা বেগম। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি দক্ষিণ বাইশারী এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের মেয়ে।
এ্যাম্বুলেন্স চালক মোহাম্মদ আলমগীর জানান রোববার সকালে নোমান নামে একজন সদর হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে বাইশারী যাবে বলে উঠে। পরে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে সে পানির জন্য নেমে আর আসেনি। তারপর এম্বুলেন্স চালক নিহতের মোবাইল থেকে স্বজনদের ফোন করে বিষয়টি জানান।

ফরিদার স্বজনরা জানায়, আগের স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর বিদেশে পাড়ি জমান ফরিদা বেগম। সেখানে তিন বছর থাকার পর দেশে ফিরে পরিচয় হয় বাইশারী এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নোমনের সঙ্গে। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর পরিবারের অজান্তে গেল ১৩ মার্চ নোমানের সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে আসে ফরিদা। কিন্তু আজ সকালে এম্বুলেন্স চালকের মাধ্যমে ফরিদার মৃত্যুর খবর জানতে পারে তারা।

ভাবি রাফিজা আক্তার বলেন, নোমান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক করেছে। টাকা পয়সাও নিয়েছে অনেক। বিদেশে থাকাকালীনও নোমানকে টাকা দিয়েছে ফরিদা। ফরিদার হাতে, পায়ে, আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রজিং বর্মণ বলেন, সোরতাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। তবে প্রাথমিকভাবে কোন দাগ বা আঘাত দেখা যায়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। যদি পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে আমরা মামলা নেবো। সুত্র:সিবিএন

পাঠকের মতামত

স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা

কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় ...

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নাসরিনের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল

কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের একজন সাভারের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা নাসরিন ...