প্রকাশিত: ২৪/০৬/২০১৯ ১১:৩১ এএম

নুরুল করিম রাসেল :
এনজিও সংস্থা ইপসার বিরুদ্ধে চাকুরীতে নিয়োগের নামে স্বজনপ্রীতি ও সাজানো নিয়োগ পরীক্ষার অভিযোগ এনেছেন টেকনাফের সামিরা আক্তার। তিনি জানান, যদি পূর্ব থেকেই সব ঠিক করা থাকে কাদের নিয়োগ করা হবে তাহলে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষার নামে তামাসা কেন। এব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, এনজিও সংস্থা ইপসার পরিচালনায় উখিয়া উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন লাইভলিহুড প্রকল্পের চাকুরী প্রার্থীদের নিয়োগ পরীক্ষা ছিল গত শনিবার সংস্থাটির চট্টগ্রামের প্রধান কার্যালয়ে। এতে ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর পদে আবেদন করেন টেকনাফের এনজিও কর্মী সামিরা আক্তার। শনিবার সকালে যথারীতি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। ১০ জন ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর নিয়োগের বিপরীতে ৩৭ জন চাকুরী প্রার্থী নারী-পুরুষ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। সকাল সাড়ে ৯টায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও কোন প্রার্থী না আসায় তাদের জন্য অপেক্ষা করার পর সোয়া ১০টার দিকে পরীক্ষা শুরু করে। এরপর ২৪জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। মৌখিক পরীক্ষার্থীদের তালিকায় তার নাম না থাকলেও পরে তাকে ডেকে আড়াই ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয়। শেষে আড়াই ঘন্টা বসিয়ে রাখার পর মৌখিক পরীক্ষা না নিয়ে বিদায় করা হয়।
পরে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আসলে লাইভলিহুড প্রকল্পের অধিকাংশ পদের বিপরীতে পূর্ব থেকেই নিয়োগ ঠিক করা ছিল। সম্প্রতি শেষ হওয়া ইপসার বিভিন্ন প্রকল্পের অধিকাংশ বেকার কর্মীদের সেখানে আগে থেকে নিয়োগ ঠিক করা ছিল বলে জানতে পেরেছেন। তিনি দাবী করেন নিয়োগপ্রাপ্তদের বায়োডাটা চেক করলে বিষয়টি ধরা পড়বে। এছাড়া লিখিত পরীক্ষায় যেসব প্রশ্ন ছিল তার সবগুলো সামিরার জ্ঞাত। সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তরও দিয়েছেন তিনি। উত্তরপত্র যাছাই করলেও তা ধরা পড়বে বলে জানান তিনি। আর্ন্তজাতিক সংস্থা আইওএম, বিজিএস, ব্র্যাক, শেড সহ নানা সংস্থায় চাকুরীর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
সামিরা জানান, শুরু থেকে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়োগ পরীক্ষার নামে স্বজনপ্রীতি ও চাকুরীপ্রার্থীদের নিয়ে তামাশা করেছে সংস্থাটি। যদি আগে থেকেই সব ঠিক থাকে আমাকে টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে নিয়ে খরচের পাশাপাশি হয়রানি করা হলো কেন। আবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলে আড়াই ঘন্টা বসিয়ে রাখা হলো কেন। ইন্টারভিউয়ের আগের দিনও ইপসা অফিস থেকে যোগাযোগ করে অংশগ্রহনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি অংশগ্রহন করবেন বলে জানান। সামিরা বলেন কেন চাকুরী প্রার্থীদের অসহায়ত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। এব্যাপারে তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করবেন বলেও জানান।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ইপসার মানব সম্পদ কর্মকর্তা গাজী মো. মাঈন উদ্দিন মুঠোফোনে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে এ প্রতিবেদককে জানান, যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে। তবে আমরা সিস্টেম মেনেই নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করেছি।

পাঠকের মতামত

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে কক্সবাজারের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল

কক্সবাজারে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলার তালিকাভুক্ত ১৮০টি ...

পালংখালীর ১নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে সিরাজের প্রার্থিতা ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন কামনা

কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা উখিয়া উপজেলার ৫নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং (কাস্টমস) ওয়ার্ড থেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ...

অষ্টাদশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ হলেন উখিয়ার রিদুয়ান

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ/জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ...