
জাহাঙ্গীর আলম, ইনানী (উখিয়া)
উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মোহাম্মদ শফিরবিল এলাকায় নির্মাণ করা হচ্ছে পল্লীবিদ্যুতের একটি উপ-কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের জন্য ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। মাসদেড়েক আগে এই ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, অপরিকল্পিত ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এই অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।
অভিযোগ মতে, সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে সদ্য ভরাট করা জায়গাতে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভবন নির্মাণে সম্পূর্ণভাবে সিলেটি পাথর বালি ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে লবণাক্ত স্থানীয় সাধারণ মানের বালি। এতে করে ভবনটি স্থায়ীত্ব নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। অন্যান্য কাজেও এভাবে অনিয়ম করা হচ্ছে বলে স্থানীয় লোকজনের দাবি করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস করে পল্লীবিদ্যুতের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মাহমুদুল করিম রিপন এই অনিয়ম করে যাচ্ছে। তারা অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কোটি টাকার এই ভবন নির্মাণ থেকে বড় অংকের টাকা লোপাট করার আয়োজন করেছে। ইতিমধ্যে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ভবনের অনেক কাজ সম্পন্ন করেছে। প্রকাশ্যে এই নিয়ম করে যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবন নির্মাণের মাত্র দু’য়েক মাস আগেই জায়গাটি ভরাট করা হয়েছে। তাই পুরো জায়গা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। তেমনি ভাবে স্থানীয় লবণাক্ত বালি ব্যবহার করা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। ব্যবহারের আরো বিপুল পরিমাণ স্থানীয় লবণাক্ত বালি স্তুপ করে রাখা হয়েছে।
এই ব্যাপারে জানতে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া দেয়নি অভিযুক্ত প্রকৌশলী রিপন ও ঠিকাদারের লোকজন। সরেজমিনে এই প্রতিবেদক গেলে তারা কৌশলে আড়াল হয়ে সেখান থেকে সটকে পড়ে। তাই তাদের সাথে কথা বলা যায়নি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পল্লীবিদ্যুতের উপজেলা সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সালাহ উদ্দীন বলেন, ‘অনিয়ম এবং এই ভবন নির্মাণের বিষয়টির দেখভালের এখতিয়ার আমার হাতে নেই। এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে।’

পাঠকের মতামত