
আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই বলে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সার্বভৌমত্বের ওপর কোনও আঘাত এলে তার সমুচিত জবাব দেয়ার মতো সক্ষমতা থাকতে হবে সশস্ত্র বাহিনীর।
আজ রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কোর্স সমাপনীর ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জোরপূর্বক রোহিঙ্গা পাঠালেও মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে যায়নি বাংলাদেশ। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই। কেউ যদি আমাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত দিতে আসে তার প্রতিঘাত করার মত সক্ষমতা আমাদের অর্জন করতে হবে। সেভাবেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে ১০ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। আমরা তাদের সাথে এখনও সংঘাতে যাইনি। আলোচনা করে এটা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বোঝা দ্রুত সমাধান করতে হবে।
এ সময় দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে সরকারের উদ্যোগ ও সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরে শেখ হাসিনার বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগে সবসময়ই পাশে থেকেছে এ বাহিনীর সদস্যেরা।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের সব প্রচেষ্টা ছিল বাংলাদেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিশ্ব দরবারে যেন বাঙালি জাতি মাথা উঁচু করে চলতে পারে, সে লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে আজ এটুকু বলতে পারি, আমরা উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা শুরু করেছি, যদিও কোভিড-১৯-এর কারণে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছি। তারপরও বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে তার আপন স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে মর্যাদা নিয়ে চলে।’

পাঠকের মতামত