প্রকাশিত: ১৩/১১/২০১৭ ১০:১৫ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ১১:১১ এএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::

বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের জলসীমায় মোট ২৬টি দ্বীপ এবং এসব দ্বীপে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৭০ একর ভূমি জেগে উঠেছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ। এসব দ্বীপ এখনো জনশূণ্য। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে বসবাসের জন্য সেনাবাহিনী দ্বীপগুলোতে জরিপ করছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সদস্য বেগম পিনু খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। শামসুর রহমান শরীফ জানান, বিগত ১০ বছরে বঙ্গোপসাগর তথা নোয়াখালী জেলার জলসীমায় ৫টি দ্বীপ জেগে উঠেছে। দ্বীপগুলো হলো: হাতিয়ার ভাষান চর, স্বর্ণদ্বীপ, চরকবির, চর বন্দনা এবং সুবর্ণচরের রজনীগন্ধা। উক্ত চরসমূহের মোট ৭৫ হাজার ৮৭৪ একর জমি জেগে উঠেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলাধীন সন্দ্বীপ উপজেলায় ২টি দ্বীপ জেগে উঠেছে- ঠেঙ্গারচর ও জাহাজ্জ্যোর চর। এতে আনুমানিক ১৮ হাজার ৯১২ দশমিক ৯০ একর জমি জেগে উঠেছে।

আবার কক্সবাজার জেলার জলসীমায় ১৯ টি দ্বীপ জেগে উঠেছে। উক্ত চরসমূহে মোট ৩০ হাজার ৫৮৩ একর খাস জমি রয়েছে। এগুলো হলো: কক্সবাজারের বাঁকখালী খরাট চর, উখিয়ার জালিয়াপালং চরপাড়া, টেকনাফের জিনজিরাদ্বীপ, মধ্যহ্নীলা, উত্তর হ্নীলা, শাহপরার দ্বীপ।

মহেশখালীর মাতারবাড়ি মৌজা, ধলঘাটা, হাঁসের চর, কালারমারছড়া, উত্তরনলবিলা, আমাবশ্যাখালী, কুতুবজোম, সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা, সোনারদিয়ার উত্তরে ঘাটিভাঙা মৌজা এবং হামিদরদিয়া। কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল, বড়ঘোপ এবং নতুন ঘোনা। পেকুয়ায় করিয়ারদিয়া এবং দুবাইঘোনা। এসব দ্বীপগুলো এখনো জনশুন্য এবং দ্বীপগুলো সেনা বাহিনীর হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

নিজের সম্মানির টাকা মেধাবী শিক্ষার্থীকে দিলেন নাইক্ষ্যংছড়ির ইউএনও

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারিয়া নিজের প্রাপ্ত সম্মানির টাকা আর্থিক অনুদান হিসেবে প্রদান করলেন ...