ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৩/০৫/২০২৫ ৪:১৯ পিএম , আপডেট: ১৩/০৫/২০২৫ ৪:২০ পিএম

রোহিঙ্গাদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে যোগ্য চিকিৎসক ও সহায়তাকর্মী সংস্থানের জন্য ৩১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকায় পরামর্শক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপর্চুনিটিস ফর হোস্ট অ্যান্ড এফডিএমএন কম্যুনিটিস’ প্রকল্পের প্যাকেজ নং-এসডি-১৪ এর আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

প্রকল্পের আওতায় কনসালটেন্সি ফর হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি সাপোর্ট ফর এফডিএমএন পরামর্শক সেবা ক্রয়ের জন্য একক উৎস ভিত্তিক পদ্ধতিতে ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-কে কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব দাখিলের অনুরোধ করা হলে সংস্থাটি প্রস্তাব দাখিল করে।

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে পিইসি’র নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে সুপারিশ করা দরদাতা প্রতিষ্ঠান আইওএম -কে ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাজ হবে বলপ্রয়োগ বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে যোগ্য চিকিৎসক ও সহায়তাকর্মী সংস্থানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবা দিতে ১৬২ কোটি ১০ লাখ ১৪ হাজার ৭৮০ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।

ওই বৈঠকে, কক্সবাজার এবং নোয়াখালী জেলায় মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত (এফডিএমএন) নাগরিকদের জন্য সমন্বিত যৌন ও লিঙ্গ-ভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সুযোগ-সুবিধা ক্রয়ের প্রস্তাব দেয় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়।

প্রকল্পের সেবা ক্রয়ের জন্য সিঙ্গেল সোর্স সিলেকশন পদ্ধতিতে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) বরাবর আরএফপি আহ্বান করা হলে প্রতিষ্ঠানটি কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব দাখিল করে। পিইসি’র প্রস্তাব উপযুক্ত বিবেচনা করা হয়। পরে পিইসি নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে সুপারিশ করা উপযুক্ত দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে ১৬২ কোটি ১০ লাখ ১৪ হাজার ৭৮০ টাকায় এই প্রকল্পের সেবা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্যাকেজের আওতায় টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হবে।

পাঠকের মতামত

গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যুতে জোর

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ইস্যু, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ...

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফারোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী প্রস্তাবনা : শাহজাহান চৌধুরী

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপুল উপস্থিতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে জনজীবনে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে তারেক রহমানের ৫ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ...

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা তারেক রহমানের

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ...

নবম পে স্কেলের বাইরে যারা

সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত কয়েক শ্রেণির কর্মচারী ও শ্রমিক নবম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আসছেন না। ...