

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের রাজনীতিতে দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। এখনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও তৃণমূল পর্যায়ে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার কারণে তাঁকে এই জনপদের আগামী দিনের নিরঙ্কুশ নেতা হিসেবে দেখছেন।
আরও পড়ুন:: উখিয়া-টেকনাফে বিএনপির তুরুপের তাস সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী!
বিএনপির রাজনীতির প্রতি অবিচল আনুগত্যের কারণে আবদুল্লাহ ও তাঁর পরিবারকে সহ্য করতে হয়েছে ভয়াবহ নির্যাতন। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময় তাঁর সাত বছরের শিশুপুত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বৃদ্ধ পিতা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমেদকেও থানায় নিয়ে অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়। হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর—এসব ছিল তাঁদের জীবনের নিত্যদিনের অংশ। অর্ধশতাধিক মামলার আসামি হয়েও আবদুল্লাহ কখনো বিএনপির আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াননি।
আরও পড়ুন:: সমীকরণে ‘লক্ষ্মী আসন’ উখিয়া-টেকনাফ, মূল লড়াইয়ে বিএনপি-জামায়াত
দুইবার টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কারচুপির কারণে পরাজিত হলেও তাঁর জনপ্রিয়তা বরং বেড়েছে। উখিয়া-টেকনাফের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তিনি আজ আস্থার প্রতীক। বর্তমানে তাঁর ভাই টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় পরিবারটির রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন:: সীমান্ত জনপদের জনআস্থার প্রতিচ্ছবি অধ্যক্ষ আনোয়ারী!
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে আনার যে বার্তা দিচ্ছেন, আবদুল্লাহ সেই বার্তারই প্রতিফলন! স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ দমন-পীড়ন, ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতি ও অদম্য সংগ্রামের মধ্য দিয়েও অবিচল থেকে যাওয়া এই নেতা শুধু নির্যাতিত পরিবারের প্রতিনিধি নন, বরং তরুণ প্রজন্মের নতুন আশার প্রতীক।
আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে উখিয়া-টেকনাফের মানুষ তাকিয়ে আছে তাঁর দিকে। বিএনপি যদি তাঁকে প্রার্থী করে, তাহলে সীমান্তবর্তী এই আসনের নির্বাচনী সমীকরণ একেবারেই পাল্টে যাবে—এমনটাই মনে করছেন অনেক স্থানীয়রা।
পাঠকের মতামত