বার্তা পরিবেশক::
worl
বিগত ২২ জানুয়ারী ক্যাম্প ১৫ তে সংগঠিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গভীরভাবে শোকাহত। নাজমুল হাসান, ৩ বছরের এক রোহিঙ্গা শিশু ওয়ার্ল্ড ভিশন এর ভাড়া করা ভেন্ডরের গাড়ীতে রাস্তার পাশে ধাক্কা লেগে মারা যায়। ভেন্ডরের উক্ত গাড়ীটি ১৫ নম্বর ক্যাম্পে ওয়ার্ল্ড ভিশন এর কাজে নিয়োজিত ছিল।
শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে তার পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য আমাদের আন্তরিক প্রার্থনা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। এই কঠিন সময়ে পরিবারের মানসিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সেবা ওয়ার্ল্ড ভিশন নিশ্চিত করবে।
এই বিষয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন ক্যাম্প প্রশাসনের চলমান তদন্ত কাজে সহায়তা করছে। আমরা উক্ত ভেন্ডরের চুক্তি পর্যালোচনা করছি।
আমরা এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে মর্মাহত যা ভেন্ডরের গাড়ী চালক এর দ্বারা সংগঠিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন শরনার্থী ক্যাম্পের প্রতিটি শিশু এবং কক্সবাজার এলাকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিশুর নিরাপত্তা বিধানে বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমাদের যা যা করনীয় আমরা তা-ই করছি। আমরা আমাদের ভেন্ডর সংশ্লিষ্ট নীতিমালা ও প্রক্রিয়াসমূহ পর্যালোচনা করছি। যেমন, কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় এবং সকল ভেন্ডরদের শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
ওয়ার্ল্ড ভিশন একটি খ্রিস্টান ত্রাণ, উন্নয়ন এবং অ্যাডভোকেসি সংস্থা যা শিশু, তার পরিবার ও কমিউনিটির দারিদ্র্য বিমোচন ও সকল অন্যায্যতা দূরীকরণে নিরলস কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশে প্রায় ৫০ বছর এবং ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য কাজ করছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন কর্মসুচি যেমন নিরাপত্তা, শিক্ষা, খাদ্য সহায়তা, ওয়াশ, পুষ্টি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ ৪০০,০০০ মানুষকে সেবার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি।

পাঠকের মতামত