২ লাখ ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগ, এজাহারে ৬৭ হাজার! অধরা মূল হোতারা
সাবেক ইউপি সদস্য বখতিয়ারের বাইকে ইয়াবা, আটক শুধু বাহক ইসহাক

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) টেকনাফ অঞ্চলের অভিযানে পালংখালীর সাবেক ইউপি সদস্য বখতিয়ারের মোটর সাইকেল ও আরোহী সহ কমপক্ষে ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
১৪ মে (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উখিয়ার সোনারপাড়া সড়ক থেকে এসব ইয়াবা, বাহন মোটর সাইকেল এবং আরোহী ইসহাককে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়- মোটর সাইকেল আরোহী ইসহাকের কাছে দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে ডিএনসি’র আভিযানিক দল।
অভিযোগ উঠেছে- ডিএনসি উদ্ধারকৃত এসব ইয়াবার বড় একটি অংশ নিজেদের কাছে রেখে দিয়ে এজাহারে মাত্র ৬৭ হাজার ২শত পিস ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে বাহক ইসহাককে উখিয়া থানার কাছে সোপর্দ করেছে।
এছাড়াও এজাহারে আনা হয়নি ইয়াবাগুলোর মূল মালিকের নাম ও পরিচয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়- পালংখালীর বালুখালী এলাকার আব্দুল মজিদের পুত্র সাবেক ইউপি সদস্য বখতিয়ার এবং তার ভাই জাহাঙ্গীরের ইয়াবা বাহক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে একই এলাকার ইয়াহিয়া ড্রাইভারের পুত্র ইসহাক।
১৪ মে (বৃহস্পতিবার) জব্দকৃত ইয়াবা ও ধৃত ইসহাককে সাবেক ইউপি সদস্য বখতিয়ারের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল যার মডেল এমটি-৫০ সহ আটক করা হয়।
এব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলমের বক্তব্য জানতে চাইলে- তিনি প্রথমে অভিযানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। এক পর্যায়ে অভিযানের কথা স্বীকার করলেও জব্দকৃত ইয়াবার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে ফোন কেটে দেন।
পরে উখিয়া থানায় খোঁজ নিলে জানা যায়- সংশ্লিষ্ট ঘটনায় ডিএনসি এজাহার দায়ের করেছে। কিন্তু এতে উদ্ধারকৃত ইয়াবার সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র ৬৭ হাজার ২শত পিস। এছাড়াও ইয়াবাগুলোর মূল মালিক বখতিয়ার ও জাহাঙ্গীরকে বাদ দিয়ে আসামী করা হয়েছে শুধুমাত্র ইয়াবার বাহক ইসহাককে।
সূত্র- সমুদ্র বেলা


পাঠকের মতামত