প্রকাশিত: ২৫/০৯/২০১৯ ৭:০২ এএম

কক্সবাজার শহরের লালদিঘির পাড় এলাকা ও কলাতলীর জোনের বেশ কয়েকটি হোটেল চলছে রোহিঙ্গা নারীদের রমরমা দেহ বাহিজ্য। প্রায় ১৭ হোটেলে চলছে এই অপকর্ম। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি সিন্ডিকেট। তাদের টার্গেট থাকে মিয়ানমার থেকে আসা উঠিত বয়সের নারী। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত খদ্দেরেরও চাহিদা থাকে রোহিঙ্গা নারী। যার অধিকাংশ সাপ্লাই দেয় রোহিঙ্গা নারী সাদিয়া। এখানের ইয়াবাও সাদিয়ার সরবরাহ করা।

জানা যায়,লালদিঘি এলাকা ও কলাতলী জোনে রয়েছে রোহিঙ্গা সাদিয়ার বিচরণ। এই এলাকার হোটেল ম্যানেজারদের সাথে রয়েছে সাদিয়ার দহরম -মহরম সম্পর্ক। নিজে এই পেশায় নাম লিখেয়েছে অনেক আগেই। হোটেলের মধ্যে ইয়াবা,মদ খাওয়া সহ খদ্দেরের মনোরঞ্জনে যা করতে হয় তাই করেছে সাদিয়া। এখন সে কক্সবাজার নিষিদ্ধ জগতের হাইফাই কলগার্ল। প্রথম দেখায় বুঝার উপায় নেই সাদিয়া রোহিঙ্গা। চলনে বলনে বাঙ্গালীয়ানা। হোটেল কেন্দ্রীক দালালদের সাথেই তার গবীর ভাব। আর এখন চলছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মেয়ে এনে দেওয়ার কাজ। হোটেল গুলোর চাহিদা অনুয়ারী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আনা হয় রোহিঙ্গা নারীদের। সাদিয়ার নেতৃত্বে একটি দালাল সিন্ডিকেট এই কাজে নিয়োজিত রয়েছে। দালাল রাজু রোহিঙ্গা সাদিয়ার প্রধান সহচর। নিয়মিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা এনে লালদিঘি পাড় এলাকার হোটেল ও কলাতলীর জোনের কয়েকটি হোটেল চলছে সাদিয়ার সরবরাহ করা নারী দিয়ে। রোহিঙ্গা নারীদের টাকার চাহিদা কম থাকায় প্রতিটা চিস্থিত হোটেলই সাদিয়ার সরববাহকৃত রোহিঙ্গা রমনীতে ভরা। তাই সাদিয়াদের সময় এখন বিচরণ করার। কারন সাদিয়াদের ছাড়া চলেনা হোটেল। সময় এসেছে অভিযানের।

পাঠকের মতামত

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে উখিয়ায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ...

ভোটার হচ্ছেন রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর চেষ্টার মধ্যে তাদেরকে লাখ ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...