উখিয়া নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩/০৩/২০২৩ ৪:৪৫ পিএম

শৈশব থেকেই স্বপ্ন দেখতেন চিকিৎসক হবার। তাই মেডিকেল ভর্তির আগে তিন মাস কঠোর পরিশ্রম করেন রাফসান। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন, এমন আত্মবিশ্বাস থাকলেও প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থীর টপকে যাবেন, এমন আশা ছিলো না। পরীক্ষায় প্রথম হয়ে এখন আনন্দের জোয়ারে ভাসছে রাফসান ও তার পরিবার। চিকিৎসক হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, ছেলেকে নিয়ে এমনটাই আশা তার মা-বাবার।

ছেলে রাফসান জামানকে নিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে বাস করেন একেএম শামসুজ্জামান ও কাউসার নাজনীন দম্পতি। বাড়ি রংপুর সদরে। হালিশহর গানার্স ইংলিশ স্কুলে পড়াশোনার পর রাজশাহী ক্যডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করেন রাফসান। শৈশব থেকেই স্বপ্ন দেখতেন চিকিৎসক হবার। সে লক্ষ্যে গড়ে তোলেন নিজেকে।

মেডিকেল ভর্তির পরীক্ষার আগের তিনমাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেন রাফসান। গেল শুক্রবারের ভর্তি পরীক্ষার প্রথম ৩০ মিনিটে ৭০টি এবং পরের ২৫ মিনিটে বাকি সব প্রশ্নের উত্তর করেন তিনি। মোট ৯৪ দশমিক দুই পাঁচ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম হন রাফসান।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী রাফসান জামান বলেন, শৈশব থেকেই স্বপ্ন দেখতাম ভালো চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করব।

রাফসানের বাবা একেএম শামসুজ্জামান বলেন, ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও মনোযোগী ছাত্র রাফসান। ছেলে ভালো চিকিৎসক হয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করবে, এমন প্রত্যাশা ছিল সবসময়। রাফসানের ফলাফলে দারুণ খুশি পরিবার ও বন্ধুরা।

চিকিৎসক হবার স্বপ্নপূরণের পথে অনেকটাই এগিয়েছেন রাফসান। এবার কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একজন ভালো ডাক্তার হওয়াই লক্ষ্য, জানালেন তিনি।

পাঠকের মতামত

 

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...

ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

ফরিদপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করার পর আয়েশা আফরিন (১৭) নামে এক ...

দুর্গম পাহাড়ি পথে বাংলাদেশে আসছেন রোহিঙ্গারা

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত পথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি ...