প্রকাশিত: ২২/০৬/২০১৯ ৭:১৫ এএম

এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী::

মিয়ানমার সিমান্তের উখিয়া টেকনাফ উপজেলায় জন্ম গ্রহন করে মহাপাপ করেছি মর্মে অনেকে বলতে শুনেছি তা এতদিন বিশ্বাস করতে না পারলে ও অনেকদিন পর হাড়ে হাড়ে টের পাইতেছি। উখিয়া টেকনাফ কেন রোহিঙ্গার কারনে চট্টগ্রাম বিভাগের ৩১টি উপজেলার জন সাধারনের জন্য পাপ হইয়েছে।যেমন ধরুন জন্ম নিবন্ধন সনদ ব্যাতিত বিশেষ করে এই এলাকায় কিছুই হচ্ছেনা স্কুলে ভর্তী,বিবাহ রেজিষ্টার,ভোটার নিবন্ধন,নাগরিক সনদ,সরকারী/বেসরকারী চাকরী,পাসপোর্ট,যাতায়াত করা কালিন বিভিন্ন চেকপোষ্ট সহ নানান কাজে যে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন সে গুরুত্ব পূর্ন জন্ম সনদ নামক সনদটি পাওয়া যাচ্ছেনা। বাংলাদেশ সংবিধান মতে বাংলাদেশের পূর্ন বয়স্ক ব্যাক্তি ভোটার হওয়ার যোগ্যতা রাখে রোহিঙ্গার কারনে এসব এলাকায় ১৩টি ডকুমেন্ট ব্যাতিত ভোটার হতে পারছেনা। উক্ত ১৩টি ডকুমেন্ট কেউ কেউ সংগ্রহ করতে পারলে ও ফরম সংকটের কারনে বেশীর ভাগ ব্যাক্তি ভোটার থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে।হত দরিদ্র ব্যাক্তিরাতো একেবারে ভোটার হতে পারছেনা। তার উপর সর্ত চেপে দেওয়া তা মোটেও সমুচিন হচ্ছেনা মর্মে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের ধারনা।বাংলাদেশের প্রায় ৮ ভাগের ৭ ভাগ ভারত সিমান্তে অবস্তিত মাত্র ১ ভাগের ও কম সিমান্ত মায়ানমার সংলগ্ন শুধু মায়ানমার সিমান্তে এই কঠুর করুন সর্ত দেওয়ার মানে কতটুকু সংবিধানের আওতায় পড়ে তা সংবিধান আইন সম্মত তাদের নিকট জানতে চাই।বিশেষ করে আমাদের ইউনিয়নে প্রায় ১৭%ব্যাক্তি ভোটার হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্ন হওয়া সর্তেও ফরম সংকটের কারনে শুধুমাত্র ৩ থেকে ৪%ব্যাক্তি ভোটার হতে পারবে বাকি ১৩ থেকে ১৪% ব্যাক্তি ভোটার থেকে বাদ পড়বে।যারা ভোটার থেকে বাদ পড়বে তাদের ছেলে,মেয়ে,নাতি সহ আগামী প্রজন্ম নাগরিক অধিকার হারাবে। আজ মায়ান মার হতে রোহিঙ্গাদের চলে আসার বিশেষ কারনের মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের জন্য সমস্যার সৃষ্টি বড়।আজ যারা ভোটার হতে পারছেনা আগামীতে তাদের নাগরিত্ব পাওয়া সম্ভব হবেনা।সে সমস্ত নাগরিকদের উপাইকি তা কেউ দেকবেন কি ?
আজ সবাই বলে রোহিঙ্গা সমস্যা তা কিন্তু আমার বিবেকে রোহিঙ্গা সমস্যা বলে মনে হয়না সমস্য হচ্ছে শুধু মাত্র NGO I NGO।কারন রোহিঙ্গাদের মানবতার কারনে আশ্রয় দিতে হইছে তা ভাল কথা রোহিঙ্গাদের গোটা বাংলাদেশ বিলিয়েদিতে হবে তা কিন্তু মানবতা নয়। আজ NGOদের অবৈধ টাকার লোভে আমরা অন্দ হয়ে বিভিন্ন শহরের বিলাস বহুল ৫ তার্কা মানের হোটেলে রোহিঙ্গাদের রাত কাটানো সহ স্হানিয়দের সাতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার মহা উৎসবে পরিনত হয়েছে। যেভাবে রোহিঙ্গা বিচরন হচ্ছে এভাবে রোহিঙ্গা বিচরন হতে দিলে কিন্তু গোটা বাংলাদেশ হুমকির সম্মুখিন হবে। হয়তো আমি একজন নগন্য ব্যাক্তি তাই আমার কথা কেউ কর্নপাত করবেনা আজ আমি বলছি একদিন আসবে বাংলাদেশের সকল জন গন বলবে রোহিঙ্গা বিচরন বন্ধ না করার কারনে বাংলাদেশের অপুরনিয় ক্ষতি হইছে। আমার এই বয়সে ১৯৭৮ ইংরেজী সনের আগত রোহিঙ্গা এবং ১৯৯১ ইংরেজী সনের রোহিঙ্গা শিবির(ক্যাম্প)দেখেছি। তখন কিন্তু এত NGO I NGO ছিলনা ১৯৮৭ ইংরেজীতে
শুধু মাত্র UNHCR রেডক্রস,রেডক্রিসেন্ট কাজ করত।পর বর্তিতে ১৯৯১ ইংরেজী উক্ত ইউ এন এইচ সি আর,রেডক্রস,রেডক্রিসেন্ট সহ হয়তো অজ্ঞাত দুই/একটি এন জি ও কাজ করত তাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়ে ছিল এবং এভাবে কেপরোয়া ভাবে রোহিঙ্গা বিচরন করতে পারতনা। ১৯৯১ ইংরেজীতে দুই একটা এন জি ও বাড়ার কারনে ৮০% রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হলেও ২০% রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নাই।তার মুল কারন হচ্ছে রোহিঙ্গা চলে গেলে এন জি ওদের অবৈধ ব্যাবসা বন্ধ হয়েযাবে তাই ২০% রোহিঙ্গা এন জি ওদের ব্যাবসার জন্য প্রত্যাবাসন বন্ধ হয়ে যায়।এখন রোহিঙ্গা সেবা দিচ্ছে ১০০% এন জি ওরা নামকা ওয়াস্তে কিছু সরকারী কর্ম কর্তা কর্ম চারী আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কাজ করছে সম্পুর্ন ত্রান সামগ্রী ও রোহিঙ্গা বসবাসের জন্য সম্পুর্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে NGO নামক দেশদ্রুহী সার্থেন্বেশীরা গিলে খাচ্ছে বৈদেশী অর্থ তাই ১(এক)জন রোহিঙ্গা ও প্রত্যাবাসন সম্ভব হবেনা। যাই হোক সর্বোচ্চ জ্ঞানীরা,উচ্ছপদস্ত কর্ম কর্তা সহ সর্বোচ্চ রাজনৈতিক ব্যাক্তি গন চুপমেরে আছে আমি কেন বক বক করে যাচ্ছি ? তা একটা কারনে এখন আমরা উখিয়া-টেকনাফ বাসি অধিকার হারাইয়া ফেলার পথে ধরতেগেলে ৮৫% অধিকার হারাইয়া ফেলেছি বাকি ১৫% অধিকার যাতে কেড়ে নেওয়া না হয় সে ১৫% অধিকার হারাইয়া গেলে আমাদের যাওয়ার কোন যায়গা নাই।
এখন আমাদের অধিকার গেছে,সম্মান গেছে,অংশীদারিত্ব বনায়ন গেছ,খতিয়ান ভুক্ত জমিগেছে,নারীর সতিত্ব গেছে,শিক্ষার সুজোগ গেছে,জ্যামজটের কারনে সঠিক ভাবে গন্তব্যে পৌচার সুজোগ হারিয়ে গেছে,ভোটার হওয়ার সুজোগ হারিয়ে গেছে,জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম সনদ নেওয়া বাদ্যতামুলক থাকলে ও দুই বৎসরে জন্ম সনদ পাওয়ার সুজোগ হারিয়ে গেছে,সংসারের সান্তি চলেগেছে,কৃষি জমিতে চাষাবাদ করার সুজোগ চলে গেছে,গবাদি পশু পালনের জমি গেছে,বিশুদবধ পানি খাওয়ার সুজোগ চলেগেছে,খালে নদীতে শরিল ভিজাইয়া গোসল করার সুজোগ চলেগেছে,নিরাপত্তা অভাবে সান্তি চলেগেছে আরো হাজারো গেছে আর কত গেলে অর্থ লোভি NGOরা ক্ষান্ত হবে ?

লেখক-চেয়ারম্যান,পালংখালী ইউনিয়ন,উখিয়া।
লিখাটি লেখকের ফেইসবুক আইডি থেকে নেওয়া।

পাঠকের মতামত

অচল কক্সবাজার সৈকতের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স, ঝুঁকিতে পর্যটকদের জরুরি সেবা

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন ভিড় করেন হাজারো পর্যটক। নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষের ...

কক্সবাজারে পর্যটক মৃত্যুর ঘটনায় প্যারাসেইলিং মালিক ফরিদ গ্রেফতার

কক্সবাজারের দরিয়ানগর সৈকতে প্যারাসেইলিংয়ের সময় নিরাপত্তাজনিত অবহেলায় পর্যটক অক্ষর সৌভিক রায় (৩১) নিহত হওয়ার ঘটনায় ...
Single Page Footer