প্রকাশিত: ০১/০৮/২০১৯ ৯:৫৮ এএম

গত ২৯/৩০ জুলাই কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে “বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর (ডাব্লিওএফপি) রোহিঙ্গাদের ত্রাণের চাল খোলা বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে এসিএফ” উক্ত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্যোশ্য প্রনোধিত। এই সংবাদটি একটি চিহ্নিত কুচক্রীমহল স্বনামধন্য এই সংস্থার কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেপড়ে লেগেছে। স্থানীয় গুটিকয়েক ব্যক্তির যোগসাজসে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এহেন জগণ্য মিথ্যাচার করে বিবর্জিত সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমরা দ্বার্থহীনভাবে বলতে চাই-টেকনাফে কর্মরত এসিএফ (এ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার) রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬ এর আওতায় নয়াপাড়া ও লেদা এলাকায় এসিএফ এর দুটি জেনারেল ফুড ডিস্ট্রিবিউশন (জিএফডি) সেন্টার দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত ও কোন ধরনের গোজামিল ছাড়াই রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করে আসছে। এতে করে আমরা নির্যাতিত রোহিঙ্গারা অত্যান্ত সেবা ও সহযোগিতা পাচ্ছি। তাদের স্বয়ংসম্পূর্ন খাদ্য বিতরনে আমরা অত্যান্ত সন্তোষ্ট। জাদিমুরা এলাকার কয়েকজন কুচক্রীমহল নিজের ফাঁয়দা হাসিল করতে না পেরে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে এসিএফএর খাদ্য কর্মসূচী প্রজেক্ট বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে। তাতে আমরা উপোস থাকবো। না খেয়ে মরে যাবো এটাই কি কুচক্রীমহলের উদ্যোশ্য ? আমরা ক্যাম্পে অবস্থানরত সমস্ত রোহিঙ্গা পরিবারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে অধ্যবদি পর্যন্ত জেনারেল ফুড ডিস্ট্রিবিউশন ও কমপ্রেহেনসিভ নিউট্রিশন প্রজেক্টের আওতায় ক্যাম্প ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬ এলাকা টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পে দুটি বিতরণ কেন্দ্র থেকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এসিএফএর মাধ্যমে পেয়ে আসছি। তাদের একান্ত সহযোগিতার কারনে প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার নিয়মিত চাল-ডাল-তৈল পাচ্ছি। তারা ত্রান বিতরণে কোন ধরনের বিশৃংখলা বা স্বজনপ্রীতি করেনি এ যাবৎ। তাদের সাথে আমরা যখনই সমস্যা নিয়ে গেছি তখনই সাথে সাথে সমাধান পেয়েছি। এসিএফএর কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের এরকম চুরি বা বিক্রির কোনকিছু দেখিনি। বিক্রির তো প্রশ্নই উঠেনা। এ ধরনের বানোয়াট সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়ে, ক্যাম্প-২৬ এর বি-ব্লকের মো: ফয়েজ মাঝি, বেনিফিশিয়ারী জাফর আলম (এ-২), জমির আহমদ (এ-১০), ফরিদ (বি-১), লেদা ক্যাম্প-২৪ এর দিল মোহাম্মদ মাঝি (জি-১), ব্লক এফ এর জসিম মাঝি ও গোরা মিয়া বলেন, সংস্থার অসাধু কর্মকর্তারা মিলেমিশে রোহিঙ্গাদের নামে ভূয়া যে কার্ড তৈরী করে ভূয়া মাষ্টার রোলে ভূয়া টিপসই বানিয়ে নানা কৌশল অবলম্বন করে লাখ লাখ টাকার চালসহ ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাত করে খোলাবাজারে বিক্রি করার যে কল্পকাহিনী সাজানো হয়েছে তা আমরা সম্পূর্ন প্রত্যাখ্যান করলাম। এ ধরনের ভূয়া তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের ভাতে মারার শামিল বলে আমরা মনে করি।
আমরা আবারও বলছি-রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সামগ্রী কখনো বিতরণ কেন্দ্র হতে ট্রাকে করে এসব সামগ্রী আত্মসাত করার কোন অভিযোগ নেই। এসিএফ সংস্থা রোহিঙ্গাদের মাঝে অত্যান্ত সুন্দর ও সুষ্টুভাবে ত্রান বিতরণ করছে। এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। এরকম জগণ্য মিথ্যা সংবাদে সংশ্লিষ্ট এনজিও সংস্থা ও প্রশাসনের কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-

সাইদুল আমিন (হেড মাঝি)

ক্যাম্প-২৬ শাল বাগান।

মো: আলম (চেয়ারম্যান)

লেদা এলএমএস/পুরাতন ক্যাম্প।

সলিম (হেড মাঝি) জি-ব্লক।

পাঠকের মতামত

সেন্টমার্টিনে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ...

টিউবওয়েল নাকি ফটোসেশন? কুতুপালংয়ে ‘হেফজু সিন্ডিকেট’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহাবের বড় ছেলে হেফজু রহমান ও দেলোয়ার-এর বিরুদ্ধে ...
Single Page Footer