প্রকাশিত: ৩০/০৫/২০১৭ ১১:৪৭ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৫:২২ পিএম

ডেস্ক রিপোর্ট ::
বঙ্গোসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে উখিয়ায় ও কক্সবাজারে অসংখ্য গাছপালা ও কাচা বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে সহস্রাধিক পরিবার। সোমবার রাত সোয়া ২টা থেকে শুরু হয় দমকা হাওয়া আর বৃষ্টি ধীরে ধীরে এটি ঘণ্টায় ১৩৫ কি.মি. গতিবেগে বয়ে যায় উখিয়ার উপর দিয়ে।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ সেন্টমার্টিন-কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। এসময় ভারি বর্ষণও হয়।

জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ উপকূলে আছড়ে পড়ার পর প্রবল বাতাসে গাছপালা মাটির সঙ্গে নুয়ে পড়ছে। বিশেষ করে সুপারি গাছগুলো বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে। আতঙ্কিত মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটে যাচ্ছে। এসময় প্রচণ্ড বাতাসে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও বাতাসের গতি কিছুটা কমে এসেছে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ ১৩৫ গতিবেগে কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করছে। ঝড়ো হাওয়ায় প্রচুর গাছপালা ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে প্রতিটি ইউনিয়নে দুইজন করে অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা না গেলেও অসংখ্য কাঁচা বাড়ি, গাছপালা ও ক্ষেত খামারের ক্ষতির পাওয়া গেছে।

পাঠকের মতামত

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, বাড়েনি সরবরাহ

পর্যটনের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ...

টেকনাফে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মনখালী ও শামলাপুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে ...

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ...