ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৫/০৩/২০২৪ ৫:১৩ পিএম

চট্টগ্রামে মাদকের মামলায় দুই যুবকের কারাদণ্ড হয়েছে। ৯ বছর আগের একটি মামলায় ৫ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। নগরের বাকলিয়া থানায় দায়ের করা ওই মামলায় ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৫ মার্চ) চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঞাঁর আদালত এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই যুবক হলেন, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার হোয়াইক্যং মনির ঘোনা এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে মো. হোসেন (৩৩) ও একই এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. জহিরুল আলম (৩৮)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ জানুয়ারি নগরের বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সংযোগ সেতুর উত্তর পাশে পুলিশ বক্সের সামনের রাস্তা থেকে ৬শ’ পিস ইয়াবাসহ মো. হোসেন ও মো. জহিরুল আলম নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বাকলিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম বাদী হয়ে নিয়মিত মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

রায়ের বিষয়টি সিভয়েস২৪-কে নিশ্চিত করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘৯ বছর আগে আসামি মো. হোসেন ও মো. জহিরুল আলমের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত উভয়কে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া দুজনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

পাঠকের মতামত

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে উখিয়ায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ...

ভোটার হচ্ছেন রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর চেষ্টার মধ্যে তাদেরকে লাখ ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে কক্সবাজারের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল

কক্সবাজারে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলার তালিকাভুক্ত ১৮০টি ...