ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ০৫/০৬/২০২৪ ৬:২১ পিএম

মালয়েশিয়ার সরকার দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রবেশের জন্য পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা [ডেডলাইন] ৩১ মে পুনর্বিবেচনা করবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম।

‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রবেশের বিষয়ে বাংলাদেশিদের জন্য কোনো সুখবর নেই… আমরা [মালয়েশিয়া] ডেডলাইনের মধ্যেই থাকব, কারণ আমাদের ১৫টি উৎসদেশ রয়েছে এবং আমরা সময়সীমার প্রয়োগে সঙ্গতি বজায় রাখতে চাই,’ বুধবার (৫ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর কার্যালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এটা কেবল বিশেষভাবে বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং ১৫টি উৎসদেশের [যেসব দেশ থেকে মালয়েশিয়া শ্রমিক নেয়] জন্য প্রযোজ্য।’

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাতের বিষয়ে জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘তিনি আমাদের সময়সীমা পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছেন এবং আমি কুয়ালালামপুরে তার এ অনুরোধ পৌঁছে দেব।’

মালয়েশিয়া সরকার নির্ধারিত সময়সীমার পরেও ২ জুন ই-ভিসা দিয়েছে — বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রমাণ ছাড়া কোনো অভিযোগ গ্রহণ করতে পারি না। এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া সরকারসহ যারা ভিসা দিয়েছে, তারা সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে চলেছে।’

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের চাকরি না পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘এটা একটা বিষয় যা আমাদের সরকার দেখছে। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না।’

হাজনাহ মো. হাশিম আরও বলেন, প্রতিমন্ত্রী ও তার বৈঠকে তারা নিয়োগ প্রক্রিয়ার ত্রুটিগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং শ্রমিকদের কল্যাণে উন্নতির প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করেছেন।

৪ জুন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, যেসব বাংলাদেশি কর্মী কাজের অনুমোদিত ভিসা থাকা সত্ত্বেও ৩১ মে’র মধ্যে মালয়েশিয়া প্রবেশ করতে পারেননি, তাদের জন্য দেশটি সময়সীমা বাড়াবে না।

প্রদত্ত সময়সীমাটি যুক্তিসঙ্গত এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঘোষণা আগে থেকে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের [মালয়েশিয়ায়] নেওয়ার জন্য নিয়োগকর্তাদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, হাজারো বাংলাদেশি কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে ব্যর্থতার জন্য বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয় সরকারকে দোষারোপ করার কোনো মানে নেই।

‘তদন্তের পর দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না,’ বায়রার বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন।

পাঠকের মতামত

কিসের হাসিনা, কোথায় বক্তব্য দিয়েছে, চেহারা কেউ দেখেছে: প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশের মানুষ কখনও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের গ্রহণ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ...

৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, দেশের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ...

পাইপলাইনে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার পর পাইপলাইনে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেশী হিসেবে ...

প্যারাসেইলিংয়ে পর্যটকের মৃত্যু: তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং করার সময় এক পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান ...

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে আজ রবিবার (২ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ...
Single Page Footer