প্রকাশিত: ২৯/১২/২০১৮ ৯:১৩ এএম

বার্তা পরিবেশক:
টেকনাফের হ্নীলায় স্বামীরা ধানের শীষের পক্ষে মিছিল করার দায়ে অন্ত:স্বত্ত্বাসহ চার গৃহবধূ এবং এক ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে এসব নারীদের আটক করা হয়। একই সাথে আরো ছয়জন যুবদলকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে ইয়াবা উদ্ধার ও পুলিশের উপর হামলার সাজানো ঘটিয়ে দেখিয়ে দু’টি মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলো, হ্নীলা দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি নাসির উদ্দীন রাজের স্ত্রী মুন্নি (তার সাত মাসের সন্তান রয়েছে), ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি জালাল উদ্দীনের স্ত্রী অন্ত:স্বত্ত্বা গোলতাজ বেগম, উপজেলা যুবদলের পশু সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হেলাল উদ্দীনের স্ত্রী নাঈমা রাহাত, হ্নীলা দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জহুর আলমের স্ত্রী খতিজা বেগম এবং বেড়াতে আসা ভাগিনী ছাত্রী আফরিনা ও ছয়জন যুবদল কর্মী।

আটককৃতদের পরিারের দাবি মতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৭টায় হ্নীলায় ধানের সমর্থনের একটি মিছিল বের করা হয়। এতে পুলিশ বাধা দিলে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। তবে রাতে তাদের আটক করতে তাদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশ তাদের কাউকে বাড়িতে পায়নি। তাদের না পেয়ে চার নেতার স্ত্রী ও এক ভাগনিকে আটক করে নিয়ে যায়। এছাড়াও আরো ছয়জন যুবদল নেতাকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে গতকাল শুক্রবার পুলিশ বাদি হয়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা দায়ের করে। এর একটি পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার মামলা, অন্যটি ইয়াবার মামলা। এর মধ্যে হ্নীলা দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জহুর আলমের স্ত্রী খতিজা বেগম এবং বেড়াতে আসা ভাগিনী ছাত্রী আফরিনা, হ্নীলা দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি নাসির উদ্দীন রাজের স্ত্রী মুন্নি (তার সাত মাসের সন্তান রয়েছে) ও ছয়জন যুবদল কর্মীসহ ৫৯জনকে পুলিশ কাজে বাধা দেয়ার মামলায় (নং- ৮৩০/১৮) আসামী করা হয় এবং ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি জালাল উদ্দীনের স্ত্রী গোলতাজ বেগম ও উপজেলা যুবদলের পশু সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হেলাল উদ্দীনের স্ত্রী নাঈমা রাহাতের বিরুদ্ধে একটি ইয়াবা মামলা (৮২৯/১৮) দায়ের করা হয়।

এই দুই মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন এই আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বিবৃতিতে বলেন, টেকনাফ থানার ওসি একজন আওয়ামী লীগের ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছেন। তিনি তফশীল ঘোষণার পর থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গণগ্রেফতার ও বাড়িঘর ভাংচুর করছে। শুধু তাই নয়; নিরীহ নেতাকর্মীদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা ও অস্ত্র দিয়ে সাজানো মামলার দায়ের করেছেন। এবার ওসি তার জঘণ্য ভূমিকার শেষ নজির সৃষ্টি করেছেন। স্বামীদের না পেয়ে অন্ত:স্বত্ত্বা স্ত্রী ও দুধের শিশুর মাকে আটক করে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করে সারাদেশেই জঘন্য নজির স্থাপন করলেন। আমি ওসির এই জঘন্য ভূমিকা ও সাজানো মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। এই অন্যায়ের বিচার আমরা দেশের কোনো প্রশাসনের কাছে পাবো না। তাই জনগণের কাছে এর বিচার দিলাম।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে কক্সবাজারের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল

কক্সবাজারে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলার তালিকাভুক্ত ১৮০টি ...

টেকনাফেে একরামুল হত্যা,হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে বহুল আলোচিত কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় ...

১২ কারাগারে জায়গা নেই, ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ বন্দিকক্সবাজার কারাগারে ঠাঁই নেই, ৮৩০ আসনের বিপরীতে বন্দি ২,৮৮৫

চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দি থাকায় চরম চাপের মধ্যে রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। ...