প্রকাশিত: ০৪/০২/২০২২ ৭:০১ পিএম

কোথাও বিয়ে হচ্ছে- এমন খবর পেলে ছুটে যাচ্ছেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তররের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা। হাতে থাকে নতুন বর ও কনের জন্য উপহারের ডালা ( গিফট বক্স)। সুখী, সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে জীবন গড়তে বিয়ে কার্যক্রম সমাপ্তির পরপরই নব দম্পতিদের দেওয়া হয় নানান পরামর্শ। নব দম্পতিদের হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহার সামগ্রী ( গিফট বক্স)। এরপর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপস্থিত কর্মীরা নববধূ ও বরকে ধারনা দেন নতুন জীবন সম্পর্কে। বিয়ের পর কিভাবে সুখী জীবন যাপন গড়তে হয় তা নিয়ে চলে আলাপচারিতা।

সম্প্রতি উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন ও রত্নাপালং ইউনিয়নে বিয়ের আসরে দেখা যায় এমন চিত্র। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন উখিয়া উপজেলায় কর্মরত জনাব মিহির বড়ুয়া ( পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ) এবং জনাব শামীমা আক্তার কর্তৃক নব দম্পতিকে এমন উপহার সামগ্রী বিতরণের খবর পেয়ে ছুটে আসেন রত্নাপালং ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি: মেম্বার জনাব আবুল হাসনাত। তিনি এমন মহতী কার্যক্রম” বাস্তবায়ন করার জন্য পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কক্সবাজার জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক জনাব ডা: পিন্টু কান্তি ভট্টাচার্য্য বলেন- কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় এ প্রকল্পটির আওতায় পাইলটিং কার্যক্রম চলমান আছে এবং নব দম্পতিদের সুখী জীবন গড়তে, পরিকল্পিত পরিবার গড়তে এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। শিশু ও মাতৃমৃত্যু রোধ করতে, প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারী বৃদ্ধিতে বিভিন্নভাবে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে।

উখিয়া উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা জনাব জসীমুদ্দিন মো: ইউসুফ বলেন – বিয়ে হওয়ার পর নব দম্পতি কীভাবে জীবন গড়তে হয় তার কোন পরিকল্পনা তাঁদের থাকে না। অপরিকল্পিতভাবে জীবন গঠন করতে গিয়ে শিশু ও মাতৃমৃত্যু মৃত্যু হয়। এটাকে রোধ করার জন্য মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে নব দম্পতিদের জন্য থাকে উপহার সামগ্রী ( গিফট বক্স)। গিফট বক্সে থাকে একটি দেওয়াল ঘড়ি, কিছু বিশেষ জিনিস,, একটি অভিনন্দন পত্র এবং ছোট বই । বইটিতে কীভাবে সুখী জীবন গড়তে হয় এবং কীভাবে গর্ভবতী মায়েদের যত্ন নিতে হবে তা অত্যন্ত সহজ ভাষায় লেখা থাকে।

তিনি আরো বলেন– বর্তমানে উপজেলার ০৫ টি ইউনিয়নে পাইলটিং এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরাধীন উখিয়া উপজেলায় কর্মরত জনাব মিহির বড়ুয়া (পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক) বলেন- তাঁর দায়িত্বরত হলদিয়াপালং ও রত্নাপালং ইউনিয়নে আজ পর্যন্ত ১৪২ টি নব দম্পতিকে উপহার সামগ্রী (গিফট বক্স ) বিতরণ করা হয়েছে এবং নববধূ ও বরকে সুখী জীবন গঠন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ,, শিশু মৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু রোধ, বিয়ের পরপর সন্তান ধারন না করা, ১ম সন্তান জন্মের অন্তত তিন বছর ২য় সন্তান নেওয়া , এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ । আমরা এই উদ্দেশ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। এনজিও সংস্থা পাথফাইন্ডার ইন্টারন্যাশনাল এর “সুখী জীবন” কর্মসূচীর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার।

পাঠকের মতামত

পোস্টিং দোছড়ি বিটে, থাকছেন থাইংখালী বিটেটাকা না দিলে বাড়ির হাঁস-মুরগি নিয়ে যান, ঘর ভেঙে দেন বনরক্ষী কামাল হোসেন

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের বনরক্ষী কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে স্থানীয় গরিব ও অসহায় মানুষের ...

‘দুনিয়াত্তু বিচার চাই’—নিজ দেশে ফেরার আকুল আকুতিতে মুখরিত উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প

“আমরা আর কতদিন শরণার্থী হিসেবে অন্যের আশ্রয়ে থাকব? আমরা বাংলাদেশে স্থায়ী হতে আসিনি, আমাদের একমাত্র ...

টেকনাফে পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে তৈরী হচ্ছে মিষ্টি; অনুমোদন ছাড়াই বাজারে বিক্রি!

পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত এলাকা এবং মারাত্মক এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা হচ্ছে হরেক রকমের মিষ্টি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ...
Single Page Footer