

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো চার-পাঁচজন শ্রমিক পশ্চিম ডিগলিয়াপালংয়ের ইমাম হোসেনের ডাম্পারে গাড়িতে মাটি ভর্তি করা জন্য পূর্বডিগলিয়াপালং এলাকার মৃত আলী মিয়ার ছেলে সিরাজ মিয়ার পাহাড়ের মাটি কাটতে গেলে উপর থেকে মাটি এসে দুজন শ্রমিক নিচে চাপা পড়ে।
এ সময় অন্যান্য শ্রমিকরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ছৈয়দ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
তখন গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজ আহাম্মদ (৫০) নামে আরেক শ্রমিককে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফিরোজ রত্নাপালং ইউনিয়নের চাকবৈঠা গ্রামের নুর আহাম্মদের ছেলে।
এ ব্যাপারে উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সভার কারণে কক্সবাজারে অবস্থান করছে বলে জানান। তবে বিট কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থল বন বিভাগের আওতার বাইরে। যেহেতু ঘটনাটি জোত মালিকানাধীন পাহাড় কাটার সময় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা অন্যান্য প্রশাসন রয়েছে।
কক্সবাজার পরিবেশ অধিপ্তরের উপ-পরিচালকের অফিসিয়াল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে একজন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিনিয়ত মাসোহারার বিনিময়ে বন উজাড়, পাহাড় নিধন করে চলেছে অবৈধ ডাম্পার সিন্ডিকেট। এর ফলে এসব দেখেও না দেখার ভান করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বন বিভাগ।

পাঠকের মতামত