প্রকাশিত: ১৪/০৩/২০২১ ৯:০৪ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিকে নিজের বাবা দাবি করে টেকনাফের এক যুবক কর্তৃক দায়ের মামলায় জারি করা সমনের চিঠি বিবাদীর ই-মেইল আইডিতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদীর আইনজীবী মো. নাজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার (১৪ মার্চ) দুপুর ১ টায় টেকনাফের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ মো. জিয়াউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।
আর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর বাদী মোহাম্মদ ইসহাকের দায়ের মামলা আমলে নিয়ে বিবাদী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। এতে গত ১৪ জানুয়ারি বদিসহ বিবাদীদের আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক ইস্যু করা সমনপত্র ফেরত না আসায় নির্ধারিত ওইদিনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। এতে আদালত মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন ১৪ মার্চ।

গত ১৩ ডিসেম্বর টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী পাড়ার ২৭ বছর বয়স যুবক মোহাম্মদ ইসহাক কক্সবাজার-০৪ আসনের (উখিয়া-টেকনাফ) সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিকে নিজের পিতা দাবি করে টেকনাফের সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় বদি ছাড়াও মূল-বিবাদী করা হয়েছে বদির চাচা টেকনাফের পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলামকে।
গত ৩০ বছর আগে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ ধুমপাড়ার বাসিন্দা আবুল বশরের মেয়ে সুফিয়া খাতুনকে সাবেক সংসদ সদস্য বদি বিয়ে করেন বলে মামলার বাদী দাবি করেন। বাদী সেই সূত্রে আব্দুর রহমান বদির প্রথম ছেলে সন্তান।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিসহ বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদালতের ইস্যু করা সমনের চিঠি কেউ গ্রহণ করেননি। এতে সমনপত্রটি আদালতে ফেরত আসে। আদালতের জারিকারক মামলার মূল বিবাদী বদিকে স্থায়ী ঠিকানায় না পেয়ে বাড়ীর গেইটে সমনের একটি ছায়াকপি সাটিয়ে দেন। কিন্তু মামলাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় আদালত বিষয়টি আমলে নেননি।
এ নিয়ে আদালত রোববার মামলার নির্ধারিত দিনে বিবাদীদের ই-মেইল আইডিতে সমনের চিঠি প্রেরণের জন্য আদেশ দিয়েছেন বলে জানান বাদীর আইনজীবী নাজিম উদ্দিন।
এদিকে আদালতের সমনের চিঠি গ্রহণ না করে বিবাদী বদি কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মামলার বাদী মোহাম্মদ ইসহাক।
ইসহাক বলেন, মূলত সময়ক্ষেপণ করে মামলার মূল বিবাদী হয়রানির উদ্দেশে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। যাতে মামলা পরিচালনায় তিনি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আমি বদিসহ মামলার বিবাদীদের নানা হুমকিতে আছি। তারা (বিবাদীরা) আমাকে প্রাণে মেরেও ফেলতে পারেন। মূলত হয়রানির উদ্দেশে সমনের চিঠি গ্রহণ না করে বিবাদীরা সময়ক্ষেপণ করছেন।
পিতৃত্বের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান মামলার বাদী ইসহাক।

পাঠকের মতামত

স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা

কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় ...

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নাসরিনের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল

কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের একজন সাভারের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা নাসরিন ...