প্রকাশিত: ২০/১২/২০১৯ ১২:০৪ পিএম

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর তাদের সেবা ও ক্যাম্পের অবকাঠামো স্থাপনে সরকারের এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এছাড়া তাদের থাকার জন্য ৬ হাজার ৫০০ একর বনজমি বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) জেনেভায় প্রথম বৈশ্বিক উদ্বাস্তু ফোরামের প্লেনারি সেশনে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের সহায়তা দেওয়াসহ এ সমস্যার সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমস্যা কার্যকরভাবে সমাধানের জন্য আমরা যৌথভাবে একটি জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান তৈরি করেছি। এর মাধ্যমে বিভিন্ন এজেন্সির পরিকল্পনা, তহবিল সংগ্রহ ও বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’
রোহিঙ্গাদের সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনের জন্য বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হচ্ছে সম্মান ও নিরাপদের সঙ্গে স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন।’
তিনি বলেন, ‘রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে মিয়ানমারের। আমরা প্রায়ই দেখতে পাই, মিয়ানমার তার দায়িত্ব পালনের বদলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করে থাকে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার মামলার শুনানিতে এটি আরেকবার প্রমানিত হয়েছে।’

পাঠকের মতামত

জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে সুযোগ পেলেন কক্সবাজারের ইয়াশনা

​চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ইয়াশনা ইকতার জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ...

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...
Single Page Footer