প্রকাশিত: ০৮/০৪/২০১৮ ৮:০৬ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৪:২৮ এএম

মোঃ ইফসান খাঁন ইমন, নাইক্ষ্যছড়ি ::
ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’কে ঘিরে পাহাড়ি পল্লীগুলোর ঘরে ঘরে চলছে উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যে এলাকা ভিত্তিক নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে উৎসবকে বরণ করে নেওয়ার যাবতীয় আয়োজন।
বৈসাবীকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তরুর-তরুনীরা একে অপরকে পানিতে ভিজিয়ে দিয়ে পুরনো বছরের সব পাপ, গ্লানি, ক্লান্তি আর অসংগতি ধুয়ে-মুছে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। সর্ববৃহৎ এ সামাজিক উৎসব দেখতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশাপাশি এলাকাবাসীদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠে পাহাড়ী পল্লী।
আয়োজক কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, ক্যায়াং দর্শন ও সমবেত প্রার্থনার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ উৎসব। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি সম্প্রদায়ের পাড়াগুলোর বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন, ক্লাব, সমিতির উদ্যোগে সাংগ্রাইং পোয়ে জলকেলি উৎসব পৃথক ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের দিনগুলোতে আনন্দে হয়ে উঠবে পাহাড়ি ও বাঙালির সম্প্রীতির এক মিলনমেলা। ১৪ এপ্রিল শুরু হয়ে উৎসব শেষ হবে ১৭ এপ্রিল। শান্তিপূর্ণ বৈসাবি উৎসর পালনের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি-বাঙ্গালির মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি ও ঐক্য আরো সু-দৃঢ় হোক এই প্রত্যাশা এখন সকলের।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ধৈয়ারবাপের পাড়ার উৎসব আয়োজক কমিটির সদস্য ক্যাছিও মার্মা বলেন, এবারও উৎসব মুখর পরিবেশে বৈসাবি উৎসব পালিত হবে। বৈসাবিকে সামনে রেখে ৪ দিনের বর্ণাঢ্য কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ক্যয়াং দর্শন ও সমবেত প্রার্থনা, দড়ি টানাটানি, হাড়ি ভাঙ্গা, পিঠা তৈরি, ঐতিহ্যবাহী তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে উঠা, পানি খেলা, সাংস্কৃতিক ও পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোঃ আলমগীর বলেন, বৈসাবি উৎসব শান্তি পূর্ণভাবে পালনের জন্য বৌদ্ধ কেয়াংগুলোতে আনসার ভিডিপি ও পুলিশ মোতায়েনসহ বিশেষ নজর রাখা হবে।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস: অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। এ সফরে তিনি দেশটির ১৮ ...