আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩/১২/২০২৩ ৯:৩৪ এএম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ফের শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে চালানো হামলায় ১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

ফিলিস্তিনি ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মধ্য গাজা উপত্যকার এই শরণার্থী শিবিরে একাধিক বাড়ি লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে। হামলায় শিশু ও নারীসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক।

নিহতদের মরদেহ গাজার মধ্যপ্রদেশের আল-আওদা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আরও অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে।

ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। হামাসের হামলায় ১২০০ ইসরায়েলির নিহত হয়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। দখলদার ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নারী ও শিশুসহ ১৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন।

হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দখলদার ইসরায়েল। টানা হামলার শিকার গাজায় খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানির সংকট দেখা দেয়।

প্রায় দেড় মাস সংঘাতের পর গত ২৪ নভেম্বর চার দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় হামাস ও ইসরায়েল। এ যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দুই দফায় বাড়ানো হয় সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। যুদ্ধবিরতি চলাকালে মিশরের রাফা ক্রসিং দিয়ে কয়েকটি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকে উপত্যকায়।

যুদ্ধবিরতি সাত দিনে হামাসের হাতে বন্দি ১১০ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ইসরায়েলে বন্দি ২৪০ জন ফিলিস্তিনিকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

নতুন করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আগেই গত শুক্রবার থেকে গাজায় ফের হামলা শুরু করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।

পাঠকের মতামত

ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রতিবেদন মিয়ানমারে ঘাঁটি গাড়তে পারে মার্কিন বাহিনী

সহযোগিতা বা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অজুহাতে মিয়ানমারে ঘাঁটি গাড়তে পারে মার্কিন বাহিনী। চলমান উত্তেজনায় এমন আশঙ্কা ...