প্রকাশিত: ৩১/০৫/২০১৮ ৯:২০ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ২:১৭ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট ::
নরসিংদীতে পাসপোর্ট করতে আসা চার রোহিঙ্গা নারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের দগরিয়া এলাকায় নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে পাসপোর্টের আবেদনের জন্য প্রাকনিবন্ধন স্লিপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পাসপোর্ট কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সৈয়দুজ্জামান।

আটককৃতরা হলেন, মিয়ানমারের মংডু জেলার বশরিজাদ এলাকার হামিদ উল্লাহের মেয়ে নূর বিবি (১৪), একই এলাকার মামু সুলতানের মেয়ে রাশিদা বেগম (১৬), দোলদারী জেলার চকরিয়া এলাকার ছলিম উল্লাহের মেয়ে আমিনা বেগম (২৩) এবং মংডু জেলার গুদুছড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের মেয়ে আনোয়ারা বেগম।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার কামরাব এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে ৪ রোহিঙ্গা নারী পাসপোর্ট করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ে অভিযান চালায় জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা। এসময় সন্দেহভাজন হিসেবে ৪ জন নারীকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের আসল পরিচয় বেরিয়ে আসে। আটককৃতদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর মডেল থানা হেফাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ আরও জানায়, পাসপোর্টের আবেদন পত্রে সত্যয়ন করেন নোটারি পাবলিকের সনদপ্রাপ্ত স্থানীয় আইনজীবী রেজাউল করিম বাসেত। আবেদনপত্রে তার সত্যায়নটি অনেকটা অস্পষ্ট। এই অস্পষ্ট সত্যায়নের পরও আবেদনপত্রটি প্রাথমিকভাবে যাচাই বাছাই করেন নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (এডি) জেবুন্নাহার বেগম। তার যাচাই বাছাইয়ের পর কার্যালয়ের অন্যান্য কর্তারা ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট করে প্রাক নিবন্ধন করে থাকেন।

এ ব্যাপারে পাসপোর্ট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (এডি) জেবুন্নাহার বেগমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সরেজমিনে পাসপোর্ট কার্যালয়ে সাংবাদিকরা গেলে এডি জেবুন্নাহার বেগম দেখা করতে রাজি হননি।

তবে পাসপোর্ট কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, পাসপোর্ট কার্যালয়ের অফিস সহকারী সুজন হাওলাদার ও কোষাধ্যক্ষ আরিফুল হক সুমনের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা চার নারীর প্রাথমিক আবেদনপত্রে ছবি উঠানো ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার অনুমোদন দেয় এডি জেবুন্নাহার বেগম। এ ব্যাপারে সুজন হাওলাদার ও আরিফুল হক সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও কথা বলতে রাজি হননি।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সৈয়দুজ্জামান বলেন,‘সম্ভবত রোহিঙ্গারা নারীরা দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে এসেছিল। গোপনে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে। তাদের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

টেকনাফে ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে প্রতিবেদন করায় , সাংবাদিক টিপুর বিরুদ্ধে মামলা

টেকনাফের ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে গত ১৭জুলাই থেকে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ধারাবাহিক ...

জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে সুযোগ পেলেন কক্সবাজারের ইয়াশনা

​চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী ইয়াশনা ইকতার জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ...

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...
Single Page Footer