প্রকাশিত: ১০/০৪/২০১৭ ৮:৫৪ এএম , আপডেট: ১০/০৪/২০১৭ ৮:৫৭ এএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::

টেকনাফে দুটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজা। এরইমধ্যে জমি অধিগ্রহণ শেষ হয়েছে। দরপত্র বণ্টনের পর শুরু হবে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। ভ্রমণ পিপাসুরা এখান থেকে আধুনিক মানের পর্যটন সুবিধা পাবেন বলে মত কর্তৃপক্ষের।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বছর জুড়েই থাকে পর্যটকের আনাগোনা। তবে, বিচ্ছিন্ন হোটেল মোটেল আর এলোমেলো ব্যবস্থাপনায় সৈকতের সৌন্দর্যে বিশৃঙ্খল অবস্থা চোখে পড়ে যে কারোর। এখান থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ। তার পাশেই সমুদ্রের কোল ঘেঁষে টেকনাফের সাবরাংয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বেজা একটি বিশেষ ট্যুরিজম জোন করতে যাচ্ছে। তীরে ভেড়া জেলেদের দুই একটি সাম্পান ছাড়া এই এলাকাটি এখনো বেশ নির্জন।

তবে, বেজার পরিকল্পনা এখানে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে পর্যটকদের জন্য। থাকবে ৫ তারকা হোটেল, ইকো ট্যুরিজম, সেন্টমার্টিন বেড়ানোর জন্য সী ক্রুজও। সব মিলিয়ে নির্ভেজাল ভ্রমণে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক সব সুবিধার সমন্বয়।

দূর থেকে দেখলে দ্বীপটিকে মনে হয় ফুটবল আকৃতির একটি ভাসমান বনভূমি। দীর্ঘদিন দখলে থাকার পর ২৭১ একরের দ্বীপটিতে হতে যাচ্ছে ট্যুরিজম পার্ক। এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি বিদেশি কোম্পানি আগ্রহ জানিয়েছে। এখানে থাকবে, হোটেল, মোটেল, ক্যাবেল কার, ভাসমান জেটি, শিশু পার্ক।

এসডিজি মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আগামী এক দেড় বছরে এটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। সেই সাথে আমরা দেশি-বিদেশি পর্যটকদেরকেও আহ্বান জানাতে পারবো।’

বিশ্লেষকদের পরামর্শ, বিশেষ পর্যটন অঞ্চলের এসব পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দিতে সার্বক্ষণিক তদারকির।

সিপিডি অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া বা থাইল্যান্ডের যে ধারণাগুলো এগুলোকে মাথায় রেখে এই দুইটি অঞ্চলকে এই ধরনের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব। সেই সাথে নিরাপত্তার বিষয়টিও আমাদের দেখতে হবে।’

টেকনাফের ২টি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল বাস্তবায়ন হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্তত ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে ধারণা অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের। সুত্র দৈনিক কক্সবাজার

পাঠকের মতামত

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রান্তিক এনজিও’র প্রতিবাদ

স্ত্রী-কন্যা ছেড়ে সহকর্মীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক- প্রান্তিক এনজিও কর্মকর্তা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে। ...

‘কুকি স্টেট’ প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সহিংসতা কেএনএফের

বান্দরবানের থানচি-রুমা থেকে রাঙামাটির মিজোরাম সীমান্তবর্তী সাজেক পর্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলকে নিজেদের পূর্বপুরুষের আদি ভূমি মনে ...

নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা সহায়তা

পাহাড় কর্তনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের ...