প্রকাশিত: ২২/০২/২০২২ ৯:২৮ এএম

ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে টেকনাফে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন নেতা কর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে ২১ ফেব্রুয়ারী রাত ১২ টা ১ মিনিটে টেকনাফ উপজেলা পরিষদস্থ শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসে উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংগঠন। এতে প্রথমে কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদল যুবদলসহ প্রথমে বিএনপির একটি পক্ষ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে চলে যায়। এর কিছুক্ষন পরে আসেন টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট হাসান ছিদ্দিকি ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসাইনের নেতৃত্বে আরো একটি গ্রুপ ফুল নিয়ে আসে। সেখানে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। পরে তারা চলে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে প্রধান সড়কে ১০/১২ টি মোটর সাইকেল করে কিছু উশৃংখল যুবকরা এসে মূল ধারার উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বাধীন নেতাকর্মীদের মারধর করে। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
হামলাকারীদের মারধরে উপজেলা পরিষদের সড়কে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম ওসমান গণি, মেরিন সিটি হাসপাতালের সামনে হ্নীলা দক্ষিন শাখার সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী গুরুতর আহত হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড. হাসান ছিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসাইনের স্বাক্ষরিত দেয়া নিন্দা বিজ্ঞপ্তিতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মেম্বার, হ্নীলা উত্তর শাখা যুবদলের সভাপতি মুহাম্মদ হারুনসহ আরো কয়েকজন নেতাকর্মি আহত হয়েছে বলে জানান।
জানা গেছে-জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এক সময় টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর আশির্বাদে বর্তমানে কমিটি গঠন করা হলে চরম বিরোধ তৈরি হয়। তবে আবদুল্লাহর ছোট ভাই এর আগে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন থেকে আগে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করলেও গেল বার স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সেটা নিয়ে বিএনপির মধ্যে বিরোধ আরো ব্যাপক আকার ধারন করে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষনাত উপজেলা বিএনপির সভাপতি- সম্পাদক সাংবাদিক সম্মেলন করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে দাবী জানান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদকের দাবী মোটর সাইকেল যােগে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আহমদ শফি, ইউনুচ, রফিক, আজিজ, মুন্না, কালাে, মােহাম্মদ করিম, নুর কামাল, শাহ আলমসহ আরাে ৪/৫ জন সশস্ত্র অস্ত্র নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করেছে। হামলায় টেকনাফ উপজেলা বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী আহত হয়, তারা আহত নেতা কর্মীদের মুল্যবান জিনিসপত্র ও মোবাইল ফোন চিনিয়ে নিয়ে যায়।
অপরদিকে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ দাবী করছেন, তারা কাউকে হামলা করেনি। কে বা কারা হামলা করেছে সেটা তিনিসহ দলের অনুসারীরা কেউ জানে না।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে নিউজিল্যান্ডের এক পরিবারের ৪ সদস্যকে নিয়ে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১

কক্সবাজার সদরের নাজিরারটেক বঙ্গোপসাগরের মোহনায় নৌকা ডুবে নিউজিল্যান্ডের এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় নিউজিল্যান্ডের ...

পোস্টিং দোছড়ি বিটে, থাকছেন থাইংখালী বিটেটাকা না দিলে বাড়ির হাঁস-মুরগি নিয়ে যান, ঘর ভেঙে দেন বনরক্ষী কামাল হোসেন

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের বনরক্ষী কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে স্থানীয় গরিব ও অসহায় মানুষের ...

‘দুনিয়াত্তু বিচার চাই’—নিজ দেশে ফেরার আকুল আকুতিতে মুখরিত উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প

“আমরা আর কতদিন শরণার্থী হিসেবে অন্যের আশ্রয়ে থাকব? আমরা বাংলাদেশে স্থায়ী হতে আসিনি, আমাদের একমাত্র ...

টেকনাফে পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে তৈরী হচ্ছে মিষ্টি; অনুমোদন ছাড়াই বাজারে বিক্রি!

পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত এলাকা এবং মারাত্মক এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা হচ্ছে হরেক রকমের মিষ্টি। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ...
Single Page Footer