ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৪/০২/২০২৪ ৯:৩৭ এএম

দুদকের অনুসন্ধান টিম হাজির হয়েছে কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসায়। ১২ ফেব্রুয়ারী সকালে দূর্নীতি দমন কমিশনের উপ পরিচালক মো: হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে দুদক টিম যায়। এ সময় দুদক টিম মাদ্রাসার বিভিন্ন কাগজ পত্র দেখে এবং কিছু প্রয়োজনীয় নথিপত্র সাথে নিয়ে যায়। তবে কি বিষয়ে অভিযোগ বা তদন্ত তা না বললেও দুদকের উপ পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার বেশ কয়েজন শিক্ষক জানান, ১২ ফেব্রুয়ারী দুদকের টিম মাদ্রাসায় আসে। এ বিষয়ে আগে থেকে মাদ্রাসায় আমাদের পর্যায়ে কেউ তেমন কিছু জানতো না। তাই সবাই ভয় পেয়েছিল। তবে যারা দীর্ঘদিন এই মাদ্রাসাকে পুজি করে টাকা নামে বেনামে আত্মসাৎ করেছে তাদের অনেকের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। দুদক টিম দীর্ঘক্ষন মাদ্রাসায় ছিল।
একজন শিক্ষক বলেন, তারা আমাদের কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করেননি। তবে যাওয়ার সময় বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে যেতে দেখেছি।
এ ব্যপারে মাদ্রাসার এক সাবেক উপাধ্যক্ষ বলেন, শুনেছি মাদ্রাসায় দুদকের টিম অনুসন্ধানে গিয়েছে। শুনে খবর নিয়ে জানতে পারলাম, মাদ্রাসার বর্তমান এক সহকারী আবুল ফয়েজের চাকরীর বিভিন্ন বিষয় সহ আরো বেশ অনিয়ম দূর্নীতি সম্পর্কে তারা জানতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু মাত্র জাফরুল্লাহ নুরীর দূর্নীতির কাজে সহায়তা না করায় আখতার নামের এক কর্মচারীকে ১৩ বছর ধরে কষ্ট দিচ্ছেন তারা।
এ ব্যপারে কক্সবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্টাকালীন সদস্য আবুল কাশেম সিকদার বলেন, আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি এসব কিছুই হবে না। কোন কিছু জাফরুল্লাহ নুরীকে ঘায়েল করতে পারবে না। এর আগেও তার অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে তদন্ত হয়েছে। তবে আমি আশাবাদি দুদক এবার কিছু একটা করবে।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে যাওয়া মাহমুদুল করিম ফারুকীর কাছে জানতে চাইলে তিনি দুদক টিম এসেছিল সেটা স্বীকার করলেও আর কিছুই বলতে রাজি হয়নি

পাঠকের মতামত