প্রকাশিত: ০৬/০৮/২০১৯ ৯:০৫ এএম , আপডেট: ০৬/০৮/২০১৯ ১০:২৪ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট::
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্র তীরে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক হ্যাচারি থেকে সমুদ্রে দূষিত বর্জ্য ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বিষাক্ত এসব বর্জ্যের কারণে সৈকতের জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে বলেও অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের।

সমুদ্রে দূষিত বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হ্যাচারি মালিকদের সাথে আজ সোমবার (৫ আগস্ট) বৈঠক করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) লে. কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে কউক সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

সভাপতির বক্তব্যে লে. কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল ইসলাম বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বিশ্বে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এই সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ যাতে দূষিত না হয় তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তারই নির্দেশনার আলোকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের সুন্দর পরিবেশ রক্ষার্থে কউক সকলের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করে।’

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ বলেন, ‘এই কক্সবাজার আমাদের সকলের। তাই চিংড়ি শিল্প রক্ষার পাশাপাশি বিশ্বেরর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতকে রক্ষাও আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। তাই সকলের যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

তবে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এমপি আশেকউল্লাহ রফিক তার বক্তব্যে হ্যাচারির দূষিত পানি পাইপের মাধ্যমে সমুদ্রে ফেলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘হ্যাচারিতে কোনোভাবেই দূষিত পানি ব্যবহার করা হয় না। চিংড়ির লার্ভা খুবই স্পর্শকাতর বিধায় যত্ন সহকারে চিংড়ির পোনা চাষ করা হয়।’ তারপরও তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে হ্যাচারি সমূহ পরিদর্শন করে বিষাক্ত কোনো কিছু পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুল আমিন, এএসপি (ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক, কউক বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী বদিউল আলম ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের সিনিয়র প্ল্যানার নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

সভায় হ্যাচারির দূষিত পানি পাইপের মাধ্যমে সমুদ্রে ফেলা রোধকল্পে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ এবং করণীয় বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন কউক-এর উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলি।

সভায় চিংড়ি হ্যাচারির মালিক, প্রতিনিধি এবং কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে কক্সবাজারের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল

কক্সবাজারে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলার তালিকাভুক্ত ১৮০টি ...

পালংখালীর ১নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে সিরাজের প্রার্থিতা ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন কামনা

কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা উখিয়া উপজেলার ৫নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং (কাস্টমস) ওয়ার্ড থেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ...

অষ্টাদশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ হলেন উখিয়ার রিদুয়ান

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ/জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ...