

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শত শত খাবার স্যালাইন ডাষ্টবিনে ফেলে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩শে মে) দুপুরে এসব স্যালাইন ফেলে দেয়ার পর তা স্থানীয় জনগণ কুড়িয়ে নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নার্সিং ইনচার্জ আয়শা মারজান এ স্যালাইনগুলো বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা দেখে ফেলায় তিনি ডাষ্টবিনে ফেলে দেন। এসব স্যালাইনের মেয়াদ রয়েছে ২০২৫ সাল পর্যন্ত। আর স্যালাইনগুলোর মেয়াদ থাকায় স্থানীয়রা যে যার মত কুড়িয়ে নিয়ে যায়।
তবে অভিযুক্ত আয়শা মারজান দাবি করেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। কেউ তাকে ফাঁসাতে এ কান্ড ঘটাতে পারে বলে জানান তিনি।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহিদুল শাহিন বলেন, ’ইতিমধ্যে স্যালইনের বিষয়ে আয়শা মারজানকে শোকজ করা হয়েছে। এসব স্যালাইন কিভাবে ডাষ্টবিনে গেলো সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. কবির হাসান বলেন, ‘আমি এই বিষয়টি এখনও জানিনা। তবে এ বিষয়ে এখনই খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।’
উল্লেখ্য, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ অঞ্চলে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিলে, সেই সময়গুলোতে ডায়রিয়ায় পুস করা স্যালাইন এবং খাবার স্যালাইনের সংকট দেখা দেয়

পাঠকের মতামত