
নিউজ ডেস্ক::
শ্রমঘন শিল্প হিসেবে বিড়ি শিল্পকে রক্ষা এবং বহুজাতিক কোম্পানির ছদ্মাবরণে কুটিরশিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ বিড়িশিল্প, তামাক চাষী সমিতি ও ভোক্তা পক্ষ।
আজ সোমবার এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের উখিয়া, বান্দরবান ও রংপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ দুপুর ১২টার দিকে উখিয়ার সাংসদ সাহিনা আক্তার চৌধুরীর বাড়ির সামনে মানববন্ধন করে উখিয়া বিড়ি ভোক্তা পক্ষ। এতে বক্তব্য দেন- উখিয়া বিড়ি ভোক্তা পক্ষের সভাপতি কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মইনুদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। পরে তারা এমপি বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন।
বিকেল ৩টার দিকে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রীর বাড়ির সামনে মানববন্ধন করে বান্দরবান অঞ্চলের বিড়ি ভোক্তা পক্ষ। এতে বক্তব্য দেন- বান্দরবান অঞ্চলের বিড়ি ভোক্তা পক্ষের সভাপতি মোস্তাকিম জনি, সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রেমং মার্মা ও স্থানীয় সদস্যবৃন্দ।
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে রংপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রংপুর জেলা তামাক চাষী ও ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বক্তব্য দেন- রংপুর জেলা তামাক চাষী ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম লাভলু, ব্যবসায়ী নেতা আকরাম হোসেন, আবুল কালাম আজাদ ও কৃষক নেতা লুৎফর রহমান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বিড়িকে কুটির শিল্প ঘোষণাসহ সাত দফা দাবি তোলেন বক্তারা। দাবিগুলো হলো- বিড়ির ওপর অর্পিত সব কর প্রত্যাহার করা, ভারতের মতো এ শিল্পকে কুটির শিল্প ঘোষণা করা, বিদেশি সিগারেট বাংলাদেশে বন্ধ করা, বিড়ি শিল্পকে ধ্বংস করার পায়তারা বন্ধ করা, বিড়ি যেন কম মূল্যে পাওয়া যায় সে ব্যবস্থা বজায় রাখা।
সমাবেশে বলা হয়, বাংলাদেশে সিগারেট যতদিন থাকবে, বিড়িশিল্প তত দিন থাকবে ও প্রতি বছর বাজেটে বিড়ি সিগারেটের কর বৈষম্য দূর করতে হবে

পাঠকের মতামত