প্রকাশিত: ১০/১০/২০১৬ ৮:০০ এএম

ukhiya-picউখিয়া নিউজ ডটকম::
কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের আশে পাশে প্রতিষ্ঠিত প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিনিয়ত রাস্তা পারাপার হচ্ছে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে। প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক সংশিষ্টদের তথ্য মতে গত ১ বছরে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২ জন ছাত্রছাত্রী সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে। অভিভাবকদের দাবী প্রতিষ্ঠানের সামনের সড়কে ¯পীট ব্রেকার দেয়া হলে রাস্তা পারাপারে দূর্ঘটনার আশংকা থেকে ছাত্রছাত্রীরা কিছুটা হলেও রেহায় পেত।এমনও অভিযোগও রয়েছে উখিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় লাগোয়া নিয়ন্ত্রিন কয়েকটি গাড়ী কোম্পনীর কারনে ছাত্রছাত্রীদের বেমী দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, কক্সবাজার-টেকনাফ প্রায় ৭৯ কিলোমিটার সড়ক পথের আশে পাশে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কেজি স্কুল সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসমস্ত প্রতিষ্টানের সামনের সড়কে কোন প্রকার গতি প্রতিবন্ধকতা না থাকায় ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে আসা যাওয়ার বেলায় ঝুঁকি নিয়ে রাস্ত পারাপার হতে হচ্ছে। কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান জানান, তার স্কুলে প্রায় ৭ শতাধিক ছাত্রছাত্রী রয়েছে। এসমস্ত ছাত্রীদের প্রতিনিয়ত রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে। তিনি জানান, স্কুলের সামনে একটি স্পীপ ব্রেকার দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি আবেদনও করা হয়েছিল। থাইংখালী  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জিসু বড়–য়া জানান, স্কুলের শুরু থেকেই ছুটি পর্যন্ত আতংকে থাকতে হয় তাদের। ছাত্রছাত্রীরা যাতে নির্ভয়ে রাস্তা পারাপার হতে পারে সেজন্য শিক্ষকদের অনেক সময় পাহারাও দিতে হয়। তিনি বিদ্যালয়ের সামনে একটি গতি প্রতিবন্ধক দিয়ে শঙ্কামুক্ত করার দাবী জানান।

সংশিষ্টদের তথ্য মতে, মরিচ্যা, উখিয়া, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালীসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২ জন ছাত্রছাত্রী গত ১ বছরে সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে।  উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সড়কের উপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং সহ স্কুলের সামনে যানযট মুক্ত রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করলে তিনি সী-লাইন, কক্স-লাইন সার্ভিসের মালিক শ্রমিকদের সর্তক করে দিলেও তা তারা মানছে না।তাছাড়া নিয়ন্ত্রনহীন টমটম,করিমন নসিমনের কারনে ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগটা একটু বেশীই পোহাতে হচ্ছে। এব্যাপারে আলাপ করে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাইন উদ্দিন জানান, বিদ্যালয়ের সামনে স্পীট ব্রেকার দেয়ার জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত

বেইলি রোডের অগ্নিকান্ডে স্ত্রীসন্তানসহ প্রান হারালো উখিয়ার শাহজালাল

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেষ্টুরেন্টের ভবনের অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ...

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক রূপান্তরের কাজ প্রায় শেষ

বঙ্গোপসাগরের মোহনায় রানওয়ে সম্প্রসারণসহ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরের উন্নয়নকাজ প্রায় শতভাগ শেষ হয়েছে। চলতি ...