প্রকাশিত: ২৯/০৩/২০১৭ ৮:২৯ এএম , আপডেট: ২৯/০৩/২০১৭ ১০:১৮ এএম

রফিকুল ইসলাম, উখিয়া::

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন না করেও ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশল অফিসের ভবন উদ্বোধনের ফলক লাগানো হয়েছে। কিন্তু উক্ত ভবন হস্তান্তর না করায় ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ও গুরুত্ব পূর্ণ কাগজ পত্র নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঠিকাদার ও উপজেলা প্রকৌশল অফিস নবনির্মিত ইউপি ভবনের চাবি হস্তান্তর না করায় উক্ত ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৪শ জন দুস্তদের ভিজিড়ি প্রায় সাড়ে ১৩শ বস্তা চাউল নষ্ট ও চুরি হওয়ার আশংকা প্রকাশ করে ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ পেশ করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান জানান, প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে এলজিইডির নিয়োজিত ঠিকাদার নিজে কাজ না করে ঠিকাদরী চুক্তি লংঘন করে উপ ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে নির্মান কাজ সম্পূর্ণ করেন।

উপ ঠিকাদার বর্তমানে পালংখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার বখতিয়ার আহম্মদ বিপুল পরিমানের ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ঢাকায় আটক হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। তার অবর্তমানে তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম উক্ত ভবন নির্মান কাজ তদারক করে আসছে। ভবন নির্মানের নির্দিষ্ট সময় সীমা অনেক আগে শেষ হলেও গত ৩ বছর ধরে নির্মান কাজ শেষ না হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান জানান, অফিসিয়ালী ভবন নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে গত ১৫ জানুয়ারী জাতীয় সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাঈন উদ্দিন ও ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরীর উপস্থিতিতে ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে বলে ফলকও লাগানো হয়েছে।

কিন্তু এখনো উক্ত উপ ঠিকাদার ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্্র ভবন হস্তান্তর না করায় জানুয়ারী থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত দুস্ত মহিলাদের চাউল বিতরন করা সম্ভব হচ্ছে না। চাউল গুলো রাখার স্থান না থাকায় বর্তমানে সে গুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে বিধায় আকষ্মিক ঝড় বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হওয়া ও চুরি হওয়ার আশংকা করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাঈন উদ্দিন বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীর তত্ববধানে হওয়ায় তার সাথে যোগাযোগ করার কথা বলেন। উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদের ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

পাঠকের মতামত