প্রকাশিত: ০৫/০৩/২০১৯ ৯:০১ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিশেষ প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবিরে লাইট হাউজ এনজিও এর অধীনস্থ সকল সেক্টরে বগুড়া শহরের লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে জানা যায়। এতে কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। কেননা, উক্ত এনজিওতে কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ করার সময় আত্মীয়করণ করা হয়েছে। প্রজেক্টের মালিকের নিজ এলাকা বগুড়া থেকে এসব লোক নিয়োগ দেয়া হয়। এসব নিয়োগকৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কক্সবাজারের আঞ্চলিক ভাষা না জানার কারণে রোহিঙ্গাদের সাথে স্বচ্ছ ভাবে কাজ করতে পারছেনা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ফ্রেব্রুয়ারী মাসে UNCHR কর্তৃক রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করা লাইট হাউস এনজিও কে সার্ভিস ফর রিফিওজি এন্ড হোস্ট কমিউনিটি নামের একটি প্রজেক্ট হস্তান্তর করে। কক্সবাজারে এ এনজিও সংস্থার দুটি ব্রাঞ্চ রয়েছে। একটি সদরে এবং অপরটা উখিয়া উপজেলায়। কিন্তু অাশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, উক্ত প্রজেক্ট এর টীম লিডার, প্রোগ্রাম কোর্ডিনেটর, কোয়ালিটি অফিসার এবং ২ টা ব্রাঞ্চের কোর্ডিনেটর, ফিল্ড মনিটর

সিকিউরিটি, কেয়ার টেকার এবং অন্যন্য সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উক্ত এনজিও মালিকের নিজ এলাকা বগুড়া শহর থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, উক্ত সংস্থার প্রজেক্ট অফিসের ষ্টাফ টীম লিডার তৌফিক ইলাহীর বাড়ি টাঙ্গাইল, ফিন্যান্স অফিসার সৌরভ হোছাইন এর বাড়ি বগুড়া, কোয়ালিটি অ্যানসুরেন্স অফিসার ডাঃ তাওজিয়ার বাড়ি গাজীপুর, এডভোকেসী অফিসার আথিয়া আফরিনের বাড়ি নওগা, মনিটরিং এন্ড ইভোলিউশন অফিসার হিল্লন চাকমার বাড়ি রাঙামাটিতে। এছাড়াও উক্ত সংস্থার কক্সবাজার অফিসের ডিআইসি ম্যানেজার সাইফুর বখতিয়ারের বাড়ি যশোর, কাউন্সিলর বাবলু মিয়ার বাড়ি বগুড়া,মেডিকেল এসিষ্টেন্টের মিরাজুর বাড়ি কক্সবাজার, ফিল্ড মনিটর মারিয়া মাহফুজের বাড়ি বগুড়া, গার্ড হাবিবুর রহমানের বাড়ি বগুড়া, গার্ড মোস্তাফিজুর রহমান এর বাড়ি বগুড়া শহরে। অপরদিকে উখিয়া ব্রাঞ্চের ডিআইসি ম্যানেজার সাইদ আলমের বাড়ি বগুড়া, ফিল্ড মনিটর শামসাদ মুরশিদার বাড়ি বগুড়া এবং গার্ড খালেকের বাড়ি ও বগুড়া শহরে অবস্থিত বলে জানা গেছে।

উক্ত এনজিও সংস্থায় পূর্বে কাজ করা মিতু, মরজিনা, সাহিনা, রেজিয়া সহ একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে লাইট হাউজ এনজিও এর অধিনে রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করে আসছে। অথচ, এবারের প্রজেক্টে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন স্টাফদের বাদ দিয়ে বগুড়া শহরের একাধিক লোকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা আরো জানায়, স্থানীয় আঞ্চলিক ভাষা না জানলে রোহিঙ্গাদের সাথে কাজ করা কঠিনতর হয়ে যায়। কক্সবাজারের লোক ছাড়া অন্যকেউ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাষা বোঝেননা। স্থানীয় লোকদের ছাটাই করে কিংবা অগ্রাধিকার না দিয়ে আত্মীয়করনের মাধ্যমে বহিরাগত লোক নিয়োগ প্রদান করায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

পাঠকের মতামত

‘ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে লাগবে আরও কিছুটা সময়’

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের থেরাপি চিকিৎসা উন্নতির ...

প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় স্বামী, ক্ষোভে বাড়ি গুঁড়িয়ে দিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী

প্রথম স্ত্রীকে রেখে দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় ছিলেন রফিউদ্দিন। এরই মধ্যে তার প্রথম স্ত্রী অন্য এক ...

কক্সবাজার লাইট হাউস দারুল উলুম মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

কক্সবাজার পৌরসভাধীন কলাতলি লাইট হাউজ এলাকাস্থ দারুল উলুম লাইট হাউস মাদ্রাসার পরিচালনা, মার্কেট ও মসজিদের ...

রামুতে সূর্যের হাসির চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল

কক্সবাজারের রামুতে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প পরিচালনা করেছে সূর্যের হাসি ক্লিনিক। ...

উখিয়া ভূমি অফিসের বাউন্ডারি নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, স্থানীয়দের বাধায় কাজ বন্ধ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ...
Single Page Footer