
উখিয়ার ১নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে বসবাসরত কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের স্থানীয় ৩ শতাধিক পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।
বিনানোটিশে ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) শরীফুল ইসলাম অতর্কিতভাবে এই কাজ করে স্থানীদের অহেতুক ভোগান্তিতে ফেলার পাশাপাশি বৈষম্য করেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে শরীফুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে এসে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দাবী করে লাইনগুলো কেটে দেন বলে জানান লম্বাশিয়ার বাসিন্দা সাদ্দাম।
স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিনের দাবী তারা পল্লীবিদ্যুৎ এর বৈধ গ্রাহক এবং নিয়মিত বিল দিয়ে আসছেন।
আয়েশা নামে স্থানীয় গৃহবধূ বলেন, হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে নাওয়া-খাওয়া বন্ধের উপক্রম হওয়ায় অন্ধকারে বিপাকে পড়েছেন তারা।
কৃষকদলের উখিয়া উপজেলার সদস্য সচিব সাদমান জামী চৌধুরী ফেসবুকে লিখেছেন নায্য অধিকার কিভাবে আদায় করতে হয় আমাদের জানা আছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন সিআইসি দ্বিচারিতা করে স্থানীদের বিদ্যুৎ বঞ্চিত করেছেন।
আইনজীবী সাফফাত ফারদিন চৌধুরী বলেছেন এই আচরণ বৈষম্য মূলক।
তবে সিআইসি শরীফুল ইসলাম জানান, পল্লীবিদ্যুৎ এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বনের জায়গাতে হওয়ায় কেটে দিয়েছেন।
বৈধ গ্রাহকদের কেন হয়রানি করা হলো? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে ৪ বছর যাবত তিন সরকার জুড়ে দায়িত্বে থাকা উখিয়ার ডিজিএম কায়জার নুরের সাথে যোগাযোগের অসংখ্য চেষ্টার পরও তার কোন সাড়া মেলেনি।


পাঠকের মতামত