প্রকাশিত: ২৩/০৯/২০২১ ৩:২৬ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক,উখিয়া::

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে ইয়াবা,মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানে রোহিঙ্গারাই জড়িত।তাদের এসব অবৈধ কর্মকান্ডের পরিধি দিন-দিন বাড়ছে।খুচরা, মাঝারী স্তরের ব্যবসায়ী ছাড়াও উখিয়া-টেকনাফের ছোট-বড় ক্যাম্পে অন্তত ৩০ জনের অধিক চোরাচালানের গডফাদার রয়েছে।তাদের মধ্যে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-৯’র ব্লক-পি-৮, লালু মাঝির ব্লকের আশ্রিত রোহিঙ্গা বার্মা নুরুর ছেলে এনামুল হোসেন অন্যতম।লালু মাঝির ছত্রছায়ায় থেকে রোহিঙ্গা এনামুলের নেতৃত্ব উখিয়া-টেকনাফের পুরো ক্যাম্পে রয়েছে বিস্তৃত চোরাচালানী সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে ক্যাম্প ও মিয়ানমার সীমান্ত কেন্দ্রিক ইয়াবা, স্বর্ণ,তরল মাদক,চোরাচালানের পণ্য বিভিন্ন ক্যাম্পে সরবরাহ করে থাকে।এনামুলের এসব চোরাচালান সাম্রাজে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ সহজে আচঁড় লাগাতে পারেনি।তাই দ্ধিগুণ উৎসাহে তার চোরাচালান নিবির্ঘ্ন করতে হাতে রয়েছে আল ইয়াকিন নামের রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন।মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এনামুলের ইয়াবা,স্বর্ণ,বিয়ার,কাপড়চোপড়,খাদ্যদ্রব্য পাচার কাজে ব্যবহার করা হয় আল ইয়াকিনের সশস্ত্র সদস্য ও বালুখালীর পশ্চিম পাড়ার কতিপয় চোরাকারবারি।যারা সীমান্ত এলাকা দিয়ে রাত গভীরে সু- কৌশলে চোরাই পথে স্বর্ণের বার ও ইয়াবার চালান এনে বালুখালী, কুতুপালং, লম্বাশিয়া ক্যাম্প সহ বিভিন্ন ক্যাম্পে সরবরাহ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাচার করে যাচ্ছে।
এনামুলের সিন্ডিকেটে সশস্ত্র রোহিঙ্গা থাকায় কেউ সহজেই মুখ খোলেনা তার বিষয়ে।

সেই এনামুল হোসেন স্বর্ণ পাচার করতে গিয়ে গত ২ বছর পূর্বে উখিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল,এমন জনশ্রুতি আছে।এনামুলের ইয়াবা, স্বর্ণের বার সহ মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে চোরাই পথে আনা বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য সরবরাহ এবং বিক্রির দায়িত্বে রয়েছে কুতুপালং ক্যাম্প-৭’র আশ্রিত রোহিঙ্গা শীর্ষ চোরাকারবারি মো.আয়াজ।আর উক্ত চোরাচালান নিরাপদে পৌছিয়ে দিতে কুতুপালং ক্যাম্প-৭, রহিম উল্লাহ মাঝির বি-ব্লকে আস্রিত রোহিঙ্গা আল ইয়াকিনের সোহেল সশস্ত্র সদস্য নিয়ে ব্যবহার হয়ে থাকে। এনামুলের সরবরাহ করা স্বর্ণে বালুখালী পশ্চিম পাড়া রোডের স্বর্ণের দোকান গুলো বেঁচে আছে।এ ক্ষেত্রে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।পাশাপাশি কুতুপালং বাজার,বলি বাজার সংলগ্ন ক্যাম্পের ভিতরে,ময়নার ঘোনা,লম্বাশিয়া বাজারের স্বর্ণের দোকান গুলো অনায়াসেই এনামুলের স্বর্ণ সরবরাহে চলছে।

বালুখালী ক্যাম্পের পানবাজার পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কামরান হোসেন বলেন,খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হইবে।

এনামুলের চোরাই কারবার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারী জরুরী মনে করছেন সচেতন মহল।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারের সাগরে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

কক্সবাজারের রামুর হিমছড়িতে সাগরে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও ...

কক্সবাজারে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছে চিকিৎসক-নার্স

কক্সবাজারের কক্স ন্যাশনাল হসপিটালে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ...

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার সাবান

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। ...

ইনানীতে অগ্নিকান্ড : ১০ মরদেহ শনাক্ত হলেও এখনো নিখোঁজ শিক্ষিকা

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রিসোর্টে অবস্থানকারী পর্যটকদের মধ্যে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন মোট ...