প্রকাশিত: ১৫/১০/২০১৯ ৭:০৫ পিএম

ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বুয়েটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি থেকে বাইরে এনে উন্নয়নের সংস্কৃতিতে সম্পৃক্ত করার সুপারিশ শিক্ষকদের। আর শিক্ষক রাজনীতি বন্ধের বিষয়টি শুধু ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা কার্যকর করতে মনিটরিং সেল গঠনেরও দাবি শিক্ষকদের।

আবরার হত্যার পর বুয়েট শিক্ষক সমিতি নিজেরাই ক্যাম্পাসে রাজনীতি না করার ঘোষণা দেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঘোষণাও ছিল ক্যাম্পাসে ছাত্র-শিক্ষক সব রাজনীতি বন্ধের।
যদিও ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের ঘোষনায় নাখোশ অনেকেই। প্রতিবাদও হচ্ছে।

ক্ষমতার দ্বন্দের রাজনীতির সংস্কৃতি থেকে বের হতে শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা সমপোযোগী সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন বুয়েটের শিক্ষকরা। বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রভাবযুক্ত ছাত্র রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার দরকার নেই। এটা সুস্থ ধারায় যাচ্ছে না।’

শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি কোন আশার সঞ্চার করতে না পারেনি জানিয়ে বুয়েট অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, ‘আমাদের ছাত্রদের অবশ্যই সংঘবদ্ধ হয়ে উন্নয়ন অনুকূল নানান সংস্কৃতিতে যুক্ত হতে হবে। মানুষের সঙ্গে, সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। সমাজ বিমুখ হলে তো চলবে না।’

আর গুটি কয়েক শিক্ষকের প্রশ্রয়ে ছাত্রদের যে দুষ্টু রাজনীতির চক্র চলছে তা বন্ধে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন বুয়েট অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল হক। তিনি বলেন, ‘শুধু সিদ্ধান্ত নিয়েই খালাস হলে হবে না, এখানে ধরে রাখার জন্য একটি মনিটরিং সেল হতে হবে। যা একটি কমিটি পরিচালনা করবে। এখানে টেকসই উন্নয়ন করতে হলে সরকারের একটা বড় সহযোগীতা দরকার, উদারতা দরকার।’

নিজেদের অধিকার আদায়ে জাতীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি না করে বরং ছাত্র সংসদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকার আহ্বান শিক্ষকদের।

এদিকে, বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সংগঠন পুণর্বিবেচনার দাবি জানালেও, সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংগঠনভিত্তিক রাজনীতির বিরোধী। উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি নেই দাবি করে বলেন, সময় এসেছে বিকল্প পথ খোঁজার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরো দায়িত্বশীল হলে ক্যাম্পাসে দেশ বিরোধী সংগঠনগুলো সুবিধা করতে পারবেনা বলে মত দেন তারা।

পাঠকের মতামত

গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যুতে জোর

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ইস্যু, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ...

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফারোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী প্রস্তাবনা : শাহজাহান চৌধুরী

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপুল উপস্থিতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে জনজীবনে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে তারেক রহমানের ৫ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ...

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা তারেক রহমানের

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ...

নবম পে স্কেলের বাইরে যারা

সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত কয়েক শ্রেণির কর্মচারী ও শ্রমিক নবম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আসছেন না। ...