শ.ম.গফুর,উখিয়া :
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের জনৈক আমির হোছনের বাড়ি থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা উখিয়ার কুতুপালংয়ের যুবক জুহুর আলমের রহস্যজনক মৃত্য হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাত ৮ টার দিকে আমির হোছনের স্ত্রী-কন্যারা মুখে বিষ নিয়ে মূমুর্ষ অবস্থায় কুতুপাল এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করান জুহুর আলম কে।
চিকিৎসারত অবস্থায় রবিবার রাত ২ টার দিকে আহত জুহুর আলম মারা যান। কি বিষয়ে বিষপান করেছে, এর কোন সঠিক ব্যাখ্যা দিচ্ছেনা আমির হোছনের পরিবার।
তবে মারা যাওয়া জুহুর আলমের পরিবার সুত্রে আপন সহোদর বড় ভাই জাহাংগীর আলম জানান, ঘুমধুম জলপাইতলীর মৃত বদিউর রহমানের ছেলে আমির হোছনের বাড়িতে সম্পর্কের সুত্রে আসা-যাওয়া ছিল জুহুর আলমের।ওই বাড়ির স্বামী পরিত্যক্তা শিউলী না শারমিনা নামের এক মেয়ের সাথে জানা শোনা ছিল। নারী সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে পরিকল্পিত ভাবে মেরে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ করেন।
ইতিপূর্বে তাকে জলপাইতলীতে এ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলো আমির হোছনের এক আত্নীয়ের পরিবার।
প্রভাবশালী ওই পরিবারকে জুহুর আলমের মৃত্যুর জন্য সন্দেহ করেন। তার মৃত্যুর পিছনে ওই পরিবারের হাত রয়েছে,এমন সন্দেহ উড়ে দিচ্ছেনা জুহুর আলমের পরিবার।
জুহুর আলম উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপাল পূর্ব পাড়ার মোহাম্মদ মিয়ার পুত্র।জুহুর আলমের স্ত্রী রোশনারা বেগম (২০) ও তাসফিয়া নামের ৪ বছরের এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
এব্যাপারে ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) ইমন চৌধুরীর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করত: ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে।রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত