প্রকাশিত: ৩১/০১/২০১৮ ৭:৫৩ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৭:২০ এএম

স্টাফ রিপোর্টার, রামু :
উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। তারা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। গতকাল সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামু বাইপাস ফুটবল চত্তর বাসষ্টেশন এলাকা থেকে ১১ জন, দুপুরে ১৪ জন সহ পঁচিশ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। ক্যাম্পগুলো অরক্ষিত হয়ে থাকায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা পালিয়ে যাচ্ছে, এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। রাতের অন্ধকারে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আটক রোহিঙ্গারা ছয় মাস আগে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হাকিম পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও কুতুপালংস্থ বিটিভি রিলে ষ্টেশন সংলগ্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিল। তারা সবাই মিয়ানমারের বুচিদং এলাকার বিভিন্ন পাড়ার বাসিন্দা।
রামু থানা ওসি (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমান জানায়, গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামু বাইপাস ফুটবল চত্ত্বর বাসষ্টেশন থেকে রোহিঙ্গা যুবক ছব্বির আহাম্মদের ছেলে হাকিম (১৭), আবুল বশরের ছেলে ছানাউল্লাহ (২৫), শফিউল উল্লাহ (৩০), কামাল উদ্দিনের ছেলে নুর আলম (৩৫), নজু মিয়ার ছেলে মো. ছলিম (৩৫), আফালাতুনের ছেলে শামশুল আলম (২৭), আবুল কালাম (২০), নজির আহম্মদের ছেলে নুর মোহাম্মদ (৩৫), তার ছেলে ফরওয়াজ (১২), আলি আহম্মদের ছেলে মো. ছলিম (৪০), হোছনের ছেলে আজিজুল হককে (২২) গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুর ১ টার দিকে একইস্থান থেকে আরো ১৪ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তিনি জানান। উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল। রামু বাসষ্টেশনের লোকজন তাদের আটক করে, রামু থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ সকালে ও দুপুরে মোট ২৫ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করে রামু থানার হেফজতে নেয়।
রামু বাইপাস ফুটবল চত্ত্বর থেকে গ্রেফতার রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ, নুর আলম, শফিউল্লাহ গতকাল সোমবার রামু থানায় সমকালকে জানান, কাজের সন্ধানে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বেরিয়েছে। তারা চাষাবাদের কাজ জানে, তাই কৃষিকাজের সন্ধানে লোহাগাড়া, কেরানিহাট, চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। নূর মোহাম্মদ জানান, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কাজের সন্ধানে বেরিয়েছে। ক্যাম্পে আশ্রয়, খাবার ও শীতের কাপড় তারা পেয়েছে। ক্যাম্পের খাবার গুলো তাদের খেতে মন চায় না। তাই তারা নিজেদের মত খেতে গেলে টাকার দরকার। এজন্য ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করতে পারলে টাকা পাবে, ওই টাকা দিয়ে নিজেদের মতো করে খেতে পারবে।

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer