প্রকাশিত: ২০/০৭/২০১৯ ৮:০১ এএম , আপডেট: ২০/০৭/২০১৯ ৮:০২ এএম

পর্যটন এলাকার কলাতলী, লাইট হাউজ ও সৈকত পাড়ার কটেজে বেপরোয়া পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সাড়াঁশি অভিযান চালিয়েছে থানা পুলিশ। অভিযান চলাকালে কটেজ ম্যানেজার ও মালিকরা বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে অপকর্ম করার সময় তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এসময় নানা অপকর্মে লিপ্ত থাকার কারনে বিভিন্ন কটেজ থেকে ৬৭ পতিতা ও খদ্দের, দালাল, ম্যানেজারসহ ৭৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এই অভিযান চালায় থানা পুলিশ।কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি(তদন্ত) খায়রুজ্জামান বলেন, নানা অপকর্মের খবরে কটেজ জোনে সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু অনেক কটেজ মালিক অভিযানের টের পেয়ে বাইরে তালা দিয়ে ভেতরে অপকর্ম চালায়। এসময় তালা ভেঙ্গে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় নানা অপকর্মের দৃশ্য। ওই অপকর্মের স্থান থেকেই পতিতা, দালাল, খদ্দের ও ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়েছে। ওসি তদন্ত আরো বলেন, এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে। কেউ অপকর্ম করে রেহায় পাবেনা।

এদিকে যে সমস্ত কটেজে অভিযান হয়েছে তৎমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মান্নানের পরিচালনাধীন নতুন সবুজ কটেজ, ইসমাইলের আমির ডীম কটেজ, আসিফের ঢাকার বাড়ী-২, ইয়াবা ও মানবপাচার মামলার আসামী মিজান ও সোহেল দুই ভাইয়ের সী-ফ্লাউয়ার ও শাহেনা কটেজ, মানবপাচার মামলায় জেলে থাকা শহীদের শারমিন কটেজ, কবিরের সী-ল্যান্ড কটেজ, জাব্বারের ঢাকার বাড়ী, জয়নালের পরিচালনাধীন সাজ্জাদ ইলেকট্রনিকের কটেজ, ইয়াবার মামলায় জেলে থাকা নাছিরের ভাইয়ের পরিচালনাধীন দারুল ইহসান কটেজ, শাহাব উদ্দিনের রাজিউন কটেজ, জাহাঙ্গীরের পরিচালনাধীন শাকিল কটেজ, লালুর সী-গ্রীন, মোঃ সোহানের সোহান কটেজ, দিদারের মেঘালয় কটেজ ও বর্তমানে ইয়াবার মামলায় জেলে থাকা আরমানের রিসান কটেজ, ইউরেখা গেষ্ট হাউজ, স্বপ্ন বিলাশ গেষ্ট হাউজ, কোহিনুর রিসোর্ট, জাহান গেষ্ট হাউজ, এম আজিজ কটেজ, কলাতলীর ডলপিন মোড়স্থ একাধিক মানবপাচার মামলার আসামী ও পতিতা ব্যবসায়ি ফয়েজ উদ্দিন ও আবু তালেব এর আল কক্স ও সায়েম কটেজ, গাজীপুর রিসোর্টসহ আরো একাধিক কটেজে অভিযান চলে।

স্থানীয়দের মতে, পুলিশের অভিযানের ব্যাপারে অপকর্মকারিরা আগে থেইে ঠের পেয়েছিল। যেকারনে অনেকেই তাদের অপকর্মের স্থানে তালা লাগিয়ে চলে যায়। তবে পুলিশের যতটুকু অভিযান হয়েছে তা খুবই কৌশলী হওয়ার কারনে ৭৩ জনকে আটক করতে পেরেছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, অভিযানে আটককৃত ৭৩ জনের বিরুদ্ধে সিনিয়র অফিসারসহ ব্যাপক তদন্ত চালাচ্ছে। এদের মধ্যে যদি কেউ প্রকৃত স্বামী-স্ত্রী থেকে থাকে তাহলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে। বাকীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।এদিকে অভিযানে নেতৃত্ত দেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামসহ পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তরা।

পাঠকের মতামত

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে উখিয়ায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ...

ভোটার হচ্ছেন রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর চেষ্টার মধ্যে তাদেরকে লাখ ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে কক্সবাজারের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল

কক্সবাজারে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চলছে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলার তালিকাভুক্ত ১৮০টি ...