

উখিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন ও প্রত্যাশার তুলনায় সাংগঠনিক উপস্থিতি ও প্রশাসনিক সমন্বয়ে দুর্বলতার অভিযোগ তুলছেন কর্মী-সমর্থকরা। বিশেষ করে ফলাফল ঘোষণার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দায়িত্বশীল নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
দলীয় একটি সূত্র জানায়, নির্বাচনের সময় কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছেন। মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সাড়া মিললেও নেতৃত্বের কৌশলগত দৃঢ়তা ও টেকনিক্যাল প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল। এমন অভিযোগও উঠে এসেছে। তৃণমূলের ভাষ্য, শুধু মঞ্চের বক্তৃতা নয়, প্রতিপক্ষের সামনে সাংগঠনিক দৃঢ়তা দেখাতে সক্ষম নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি।
কর্মীদের একাংশ মনে করছেন, উখিয়া উপজেলা জামায়াতকে আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা জরুরি। তারা বলছেন, শ্রমিক, যুবশক্তি ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি না নিলে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী লড়াই কঠিন হয়ে পড়বে।
এ প্রেক্ষাপটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরীক্ষিত নেতা হিসেবে এডভোকেট এ কে এম শাহজালাল চৌধুরীর নামও সামনে আনছেন অনেকে। তাদের মতে, সাহসী ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম নেতৃত্বই সংগঠনের ভেঙে পড়া মনোবল পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে দলীয় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তৃণমূলের এই প্রতিক্রিয়া দলীয় অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও পুনর্গঠনের একটি ইঙ্গিত। সামনে সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখা এবং নেতৃত্বের প্রশ্নে সাহসীকতার পরিচয় দেওয়াই হবে উখিয়া উপজেলা জামায়াতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।


পাঠকের মতামত