রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির কার্যালয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় আহত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, তার নাকে ও চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউর ৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। ৪৮ ঘণ্টা না গেলে তার বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসিসি) আনা হয়। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এর আগে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সন্ধ্যার পর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পরে রাত ৯টার দিকে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগ করে। এ সময় নুরুল হক নুরকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করতে দেখা যায়।
নুরকে প্রথমে কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
নূরুল হক নুর ছাড়াও আহতদের মধ্যে রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ (৩২), সদস্য হাসান তারেক (২৮), ঢাকা উত্তর শাখার সাধারণ সম্পাদক ফারজানা কিবরিয়া (৩০), নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মেহবুবা ইসলাম (৩০) ও পুলিশ পরিদর্শক আনিসুর রহমান (৪২)।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া গণধিকার পরিষদের ইমরান বলেন, আমরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর ইট পাটকেল ছুড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় আমাদের গণধিকার পরিষদের চারজন নেতাকর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, রাত ১১টার দিকে নুরকে আনা হয়। এর আগে গণঅধিকার পরিষদের চারজন ও একজন পুলিশের পরিদর্শককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।